
বিডিজেন ডেস্ক

গাম্বিয়ার উপকূলে ২০০ জন অভিবাসী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে অন্তত সাতজন নিহত। এ ঘটনায় নিয়োঁজ রয়েছে রয়েছে।
আজ শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গাম্বিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের দিকে দেশটির নর্থ ব্যাংক অঞ্চলের একটি গ্রামের কাছাকাছি এলাকায় নৌকাটি উল্টে যায়। এ পর্যন্ত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ৯৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
দেশটির নৌবাহিনী বিবৃতিতে জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মধ্যরাতের পর গাম্বিয়ান নৌবাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এতে একাধিক নৌবাহিনীর জাহাজ এবং একটি মাছ ধরার নৌকা অংশ নেয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পরে ডুবে যাওয়া নৌকাটিকে একটি বালুচরে আটকে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন গাম্বিয়ার নাগরিক নন বলে শনাক্ত করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ বর্তমানে তাদের পরিচয় যাচাই করছে।
পশ্চিম আফ্রিকা থেকে নৌপথে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছাতে ইচ্ছুক অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য গাম্বিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৪৬ হাজারের বেশি অভিবাসী ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়। অধিকার সংগঠন কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস জানিয়েছে, আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৫৮ শতাংশ বেশি।
তবে ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স জানায়, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে পশ্চিম আফ্রিকা রুটে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অনিয়মিত অভিবাসন ৬০ শতাংশ কমেছে।

গাম্বিয়ার উপকূলে ২০০ জন অভিবাসী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে অন্তত সাতজন নিহত। এ ঘটনায় নিয়োঁজ রয়েছে রয়েছে।
আজ শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গাম্বিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের দিকে দেশটির নর্থ ব্যাংক অঞ্চলের একটি গ্রামের কাছাকাছি এলাকায় নৌকাটি উল্টে যায়। এ পর্যন্ত সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ৯৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
দেশটির নৌবাহিনী বিবৃতিতে জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মধ্যরাতের পর গাম্বিয়ান নৌবাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এতে একাধিক নৌবাহিনীর জাহাজ এবং একটি মাছ ধরার নৌকা অংশ নেয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পরে ডুবে যাওয়া নৌকাটিকে একটি বালুচরে আটকে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন গাম্বিয়ার নাগরিক নন বলে শনাক্ত করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ বর্তমানে তাদের পরিচয় যাচাই করছে।
পশ্চিম আফ্রিকা থেকে নৌপথে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছাতে ইচ্ছুক অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য গাম্বিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৪৬ হাজারের বেশি অভিবাসী ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়। অধিকার সংগঠন কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস জানিয়েছে, আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৫৮ শতাংশ বেশি।
তবে ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স জানায়, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে পশ্চিম আফ্রিকা রুটে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অনিয়মিত অভিবাসন ৬০ শতাংশ কমেছে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বদর আল-কাত্তান জানান, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল পর্যন্ত পথচারী পারাপারের নির্ধারিত লেন ব্যবহার না করে রাস্তা পার হওয়ায় ৮ হাজার ৯৩৮টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের নোটিশ জারি করা হয়েছে।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৭ দিন আগে