
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে মঙ্গলবার রাতে প্রগতিশীল (প্রগ্রেসিভ) প্রার্থীরা একাধিক চমক দেখিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনায় ডেমোক্র্যাটিক সমাজতন্ত্রী ও ইসরায়েলের কড়া সমালোচক মেলাত কিরোস কলোরাডোর প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রাইমারিতে জয়ী হয়ে ২৯ বছর ধরে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য থাকা ডায়ানা ডিগেটকে পরাজিত করেছেন।
এদিকে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি ম্যানি রুটিনেল কলোরাডোর অষ্টম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে প্রতিনিধি শ্যানন বার্ডকে হারিয়েছেন। বর্তমানে এ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ (সুইং) আসনটির প্রতিনিধি রিপাবলিকান গ্যাব ইভান্স।
অন্যদিকে, মেয়াদসীমার কারণে পদত্যাগ করতে যাওয়া গভর্নর জ্যারেড পোলিসের উত্তরসূরি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মার্কিন সিনেটর মাইকেল বেনেট পরাজিত হয়েছেন কলোরাডোর অ্যাটর্নি জেনারেল ফিল ওয়াইজারের কাছে।
বেনেট ও ওয়াইজার—দুজনই মধ্যপন্থী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করার রেকর্ড ওয়াইজারের পক্ষে কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে বেনেট দীর্ঘদিন ওয়াশিংটনে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে বেনেট ২০২৮ সালের আগে পুনর্নির্বাচনের মুখোমুখি হচ্ছেন না। ফলে তিনি সিনেটে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ করবেন।
নতুন প্রজন্মের প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকছে ডেমোক্র্যাট ভোটাররা
কলোরাডো, নিউইয়র্ক ও মেইনের সাম্প্রতিক প্রাইমারি নির্বাচনের ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, ডেমোক্র্যাট ভোটারদের একটি বড় অংশ প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বের পরিবর্তে নতুন প্রজন্মের প্রার্থীদের সুযোগ দিতে আগ্রহী।
এই নতুন প্রজন্মের প্রার্থীরা করপোরেট রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটির (পিএসি) অর্থ গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করছেন, ইসরায়েল ইস্যুতে তুলনামূলক কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন এবং নিজেদের শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরোধী হিসেবে তুলে ধরছেন।
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান এবং ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রো খান্না বলেন, “আমাদের দলের প্রাণশক্তি এখন সেই সাহসী প্রগতিশীলদের মধ্যে, যারা বিদেশি যুদ্ধ, আইসিই (ICE) এবং ধনকুবের শ্রেণির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, “বিদ্রোহী এই প্রার্থীরা জনমতের এই পরিবর্তনকে ধারণ করছেন। তারা জিতুক বা হারুক, দলের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা তারাই দেখিয়ে দিচ্ছেন।”
রিপাবলিকানদের পাল্টা আক্রমণ
রুটিনেলের জয়ের পরপরই রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান গ্যাব ইভান্স তাকে আক্রমণ করে বলেন, “ডেমোক্র্যাটরা এমন একজন চরম বামপন্থি, উগ্র সমাজতন্ত্রীকে বেছে নিয়েছে, যিনি নিউইয়র্কের সমাজতন্ত্রী মেয়র জোহরান মামদানির অনুসারী। তিনি তেল ও গ্যাস শিল্প বন্ধ করতে চান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থায়ন কমানোর পক্ষে এবং আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শিল্পগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবেন।”
আগামী সাধারণ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা আশা করছে, রুটিনেল এই গুরুত্বপূর্ণ সুইং আসনটি রিপাবলিকানদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে এ আসনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডিগেটের পরাজয় সবচেয়ে বড় চমক
২০২৪ সালের নির্বাচনে গ্যাব ইভান্স ডেমোক্র্যাট ইয়াদিরা কারাভেওকে ১ শতাংশেরও কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। একই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ জেলায় ২ শতাংশের কম ভোটের ব্যবধানে জয় পান।
সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণায় ইভান্সের হাতে বর্তমানে ৩৪ লাখ ডলার তহবিল রয়েছে।
অন্যদিকে ১০ জুন পর্যন্ত রুটিনেলের প্রচারণা তহবিলে ছিল ৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা ইভান্সের তুলনায় কম হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী শ্যানন বার্ডের ২ লাখ ৯১ হাজার ডলারের তুলনায় অনেক বেশি।
লাতিনো অধ্যুষিত এই জেলায় অভিবাসন ইস্যু ছিল নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান বিষয়।
রুটিনেলের জয়ের ফলে আবারও প্রশ্ন উঠেছে—প্রগতিশীল প্রার্থীরা কি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতেও জয়ী হতে পারবেন?
আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন জিততে হবে।
মঙ্গলবারের প্রাইমারির আগে এই আসনটিকে বিশ্লেষকেরা ‘টস-আপ’ বা উভয় পক্ষের সমান সম্ভাবনাময় আসন হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
তবে রাতের সবচেয়ে বড় চমক ছিল ৬৮ বছর বয়সী ডায়ানা ডিগেটের পরাজয়। ১৯৯৬ সাল থেকে ডেনভারভিত্তিক এই আসনের প্রতিনিধি এবং কংগ্রেসনাল প্রগ্রেসিভ ককাসের সদস্য ডিগেটকে হারিয়েছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রগতিশীল প্রার্থী মেলাত কিরোস।
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া সাবেক নিউইয়র্কের আইনজীবী কিরোস ইসরায়েলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার প্রার্থিতা সমর্থন করেছিলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে মঙ্গলবার রাতে প্রগতিশীল (প্রগ্রেসিভ) প্রার্থীরা একাধিক চমক দেখিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনায় ডেমোক্র্যাটিক সমাজতন্ত্রী ও ইসরায়েলের কড়া সমালোচক মেলাত কিরোস কলোরাডোর প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রাইমারিতে জয়ী হয়ে ২৯ বছর ধরে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য থাকা ডায়ানা ডিগেটকে পরাজিত করেছেন।
এদিকে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি ম্যানি রুটিনেল কলোরাডোর অষ্টম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে প্রতিনিধি শ্যানন বার্ডকে হারিয়েছেন। বর্তমানে এ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ (সুইং) আসনটির প্রতিনিধি রিপাবলিকান গ্যাব ইভান্স।
অন্যদিকে, মেয়াদসীমার কারণে পদত্যাগ করতে যাওয়া গভর্নর জ্যারেড পোলিসের উত্তরসূরি নির্ধারণে অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মার্কিন সিনেটর মাইকেল বেনেট পরাজিত হয়েছেন কলোরাডোর অ্যাটর্নি জেনারেল ফিল ওয়াইজারের কাছে।
বেনেট ও ওয়াইজার—দুজনই মধ্যপন্থী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করার রেকর্ড ওয়াইজারের পক্ষে কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে বেনেট দীর্ঘদিন ওয়াশিংটনে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে বেনেট ২০২৮ সালের আগে পুনর্নির্বাচনের মুখোমুখি হচ্ছেন না। ফলে তিনি সিনেটে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ করবেন।
নতুন প্রজন্মের প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকছে ডেমোক্র্যাট ভোটাররা
কলোরাডো, নিউইয়র্ক ও মেইনের সাম্প্রতিক প্রাইমারি নির্বাচনের ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, ডেমোক্র্যাট ভোটারদের একটি বড় অংশ প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বের পরিবর্তে নতুন প্রজন্মের প্রার্থীদের সুযোগ দিতে আগ্রহী।
এই নতুন প্রজন্মের প্রার্থীরা করপোরেট রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটির (পিএসি) অর্থ গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করছেন, ইসরায়েল ইস্যুতে তুলনামূলক কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন এবং নিজেদের শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরোধী হিসেবে তুলে ধরছেন।
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান এবং ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রো খান্না বলেন, “আমাদের দলের প্রাণশক্তি এখন সেই সাহসী প্রগতিশীলদের মধ্যে, যারা বিদেশি যুদ্ধ, আইসিই (ICE) এবং ধনকুবের শ্রেণির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে প্রস্তুত।”
তিনি বলেন, “বিদ্রোহী এই প্রার্থীরা জনমতের এই পরিবর্তনকে ধারণ করছেন। তারা জিতুক বা হারুক, দলের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা তারাই দেখিয়ে দিচ্ছেন।”
রিপাবলিকানদের পাল্টা আক্রমণ
রুটিনেলের জয়ের পরপরই রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান গ্যাব ইভান্স তাকে আক্রমণ করে বলেন, “ডেমোক্র্যাটরা এমন একজন চরম বামপন্থি, উগ্র সমাজতন্ত্রীকে বেছে নিয়েছে, যিনি নিউইয়র্কের সমাজতন্ত্রী মেয়র জোহরান মামদানির অনুসারী। তিনি তেল ও গ্যাস শিল্প বন্ধ করতে চান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থায়ন কমানোর পক্ষে এবং আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শিল্পগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবেন।”
আগামী সাধারণ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা আশা করছে, রুটিনেল এই গুরুত্বপূর্ণ সুইং আসনটি রিপাবলিকানদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে এ আসনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডিগেটের পরাজয় সবচেয়ে বড় চমক
২০২৪ সালের নির্বাচনে গ্যাব ইভান্স ডেমোক্র্যাট ইয়াদিরা কারাভেওকে ১ শতাংশেরও কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। একই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ জেলায় ২ শতাংশের কম ভোটের ব্যবধানে জয় পান।
সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণায় ইভান্সের হাতে বর্তমানে ৩৪ লাখ ডলার তহবিল রয়েছে।
অন্যদিকে ১০ জুন পর্যন্ত রুটিনেলের প্রচারণা তহবিলে ছিল ৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা ইভান্সের তুলনায় কম হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী শ্যানন বার্ডের ২ লাখ ৯১ হাজার ডলারের তুলনায় অনেক বেশি।
লাতিনো অধ্যুষিত এই জেলায় অভিবাসন ইস্যু ছিল নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান বিষয়।
রুটিনেলের জয়ের ফলে আবারও প্রশ্ন উঠেছে—প্রগতিশীল প্রার্থীরা কি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতেও জয়ী হতে পারবেন?
আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন জিততে হবে।
মঙ্গলবারের প্রাইমারির আগে এই আসনটিকে বিশ্লেষকেরা ‘টস-আপ’ বা উভয় পক্ষের সমান সম্ভাবনাময় আসন হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
তবে রাতের সবচেয়ে বড় চমক ছিল ৬৮ বছর বয়সী ডায়ানা ডিগেটের পরাজয়। ১৯৯৬ সাল থেকে ডেনভারভিত্তিক এই আসনের প্রতিনিধি এবং কংগ্রেসনাল প্রগ্রেসিভ ককাসের সদস্য ডিগেটকে হারিয়েছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রগতিশীল প্রার্থী মেলাত কিরোস।
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া সাবেক নিউইয়র্কের আইনজীবী কিরোস ইসরায়েলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার প্রার্থিতা সমর্থন করেছিলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।
ইথিওপিয়ায় জন্ম নেওয়া সাবেক নিউইয়র্কের আইনজীবী কিরোস ইসরায়েলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার প্রার্থিতা সমর্থন করেছিলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।
যেসব কর্মী সৌদি আরবে নতুন করে প্রবেশ অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) পর ছয় মাসের বেশি সময় পার হলেও তাদের অনুকূলে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হয়নি, তাদের চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু বা নবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি ৬-৩ ভোটে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। নিম্ন আদালতের ওই সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি স্থগিত করা হয়েছিল।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের লেবানিজ গবেষক ফাওয়াজ গেরগেস বলেন, চুক্তিটি ‘জন্মের আগেই মৃত’ এবং কাঠামোগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। কারণ এটি এমন একটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে, যা বাস্তবে পূরণ করা অসম্ভব।