
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তাদের পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি দিয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প সই করেছেন। তবে কীভাবে এই শুল্ক কার্যকর হবে সে সম্বন্ধে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এমন এক সময়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি এল যখন কয়েক সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হুমকির পর ওমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেছেন।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এ বছরের শুরুর দিকেও তার ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।
গত ১২ জানুয়ারি তিনি লিখেছিলেন, “যেসব দেশ ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে ওই দেশগুলোকে ২৫% শুল্ক দিতে হবে, এবং এটি এখন থেকেই কার্যকর হবে।”
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওমানে অনুষ্ঠিত আলোচনা শুরু দিনে এটিকে ‘ভালো সূচনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ নিজ নিজ রাজধানীতে ফিরে পরামর্শ করবে, তবে এই বৈঠক ইতিবাচক একটি শুরু।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সর্বশেষ আলোচনা হওয়ার কথা ছিল গত বছরের জুনে। তবে ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর সেই আলোচনা ভেস্তে যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুমকি দিয়েছেন। ইরানের আশপাশে আমেরিকার নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ায় উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। তেহরানের আশঙ্কা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প সমঝোতায় আগ্রহী হলেও কূটনীতি ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্প খোলা রয়েছে।
ইরানও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কোনো সামরিক হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তাদের পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি দিয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প সই করেছেন। তবে কীভাবে এই শুল্ক কার্যকর হবে সে সম্বন্ধে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এমন এক সময়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি এল যখন কয়েক সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হুমকির পর ওমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেছেন।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এ বছরের শুরুর দিকেও তার ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।
গত ১২ জানুয়ারি তিনি লিখেছিলেন, “যেসব দেশ ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে ওই দেশগুলোকে ২৫% শুল্ক দিতে হবে, এবং এটি এখন থেকেই কার্যকর হবে।”
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওমানে অনুষ্ঠিত আলোচনা শুরু দিনে এটিকে ‘ভালো সূচনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ নিজ নিজ রাজধানীতে ফিরে পরামর্শ করবে, তবে এই বৈঠক ইতিবাচক একটি শুরু।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সর্বশেষ আলোচনা হওয়ার কথা ছিল গত বছরের জুনে। তবে ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর সেই আলোচনা ভেস্তে যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুমকি দিয়েছেন। ইরানের আশপাশে আমেরিকার নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ায় উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। তেহরানের আশঙ্কা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প সমঝোতায় আগ্রহী হলেও কূটনীতি ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্প খোলা রয়েছে।
ইরানও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কোনো সামরিক হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
মামলার নথি অনুযায়ী, আমিনের বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, শিশু শোষণমূলক চক্র পরিচালনা, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত শনিবার থেকে পরবর্তী সকল জরিমানা মওকুফ করা হয়েছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক দণ্ড ছাড়াই তাদের অবস্থান বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটি যে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে তার প্রতিক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।