
বিডিজেন ডেস্ক

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)। আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এনসিএম জানায়, রাজধানী রিয়াদ, হা’ইল, আল কাশিম, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্ত অঞ্চল, মক্কা ও মদিনায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এতে করে কিছু কিছু জায়গায় আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এছাড়া মক্কা অঞ্চলে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাসের কারণে কোথাও কোথাও ধূলি ঝড়েরও আশঙ্কা রয়েছে।
যেসব জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে সেখানকার মানুষকে সতর্কতা বার্তা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে এনসিএম। এছাড়া যেসব জায়গায় আকস্মিক বন্যা হওয়ার শঙ্কা আছে সেখানে সতর্কতা অবলম্বন করে গাড়ি চালানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে জানুয়ারির শুরুতে কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণের জেরে সৌদি আরবে ব্যাপক বন্যা হয়। ওই বন্যার কারণে পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল সৌদি সরকার।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)। আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এনসিএম জানায়, রাজধানী রিয়াদ, হা’ইল, আল কাশিম, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্ত অঞ্চল, মক্কা ও মদিনায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এতে করে কিছু কিছু জায়গায় আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এছাড়া মক্কা অঞ্চলে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাসের কারণে কোথাও কোথাও ধূলি ঝড়েরও আশঙ্কা রয়েছে।
যেসব জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে সেখানকার মানুষকে সতর্কতা বার্তা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে এনসিএম। এছাড়া যেসব জায়গায় আকস্মিক বন্যা হওয়ার শঙ্কা আছে সেখানে সতর্কতা অবলম্বন করে গাড়ি চালানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে জানুয়ারির শুরুতে কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণের জেরে সৌদি আরবে ব্যাপক বন্যা হয়। ওই বন্যার কারণে পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল সৌদি সরকার।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।