
বিডিজেন ডেস্ক

অস্থায়ী বাসিন্দাদের সংখ্যা কমাতে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্কিং পারমিট যোগ্যতা আরও কড়াকড়ি করার ঘোষণা দিল কানাডা। বুধবার কানাডার অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার এ তথ্য জানান।
ভৌগলিক আয়তনের বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা। বরাবরই অভিবাসীদের জন্য এটি স্বপ্নের গন্তব্য। উন্নত জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ এবং আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার স্বল্পতাই এর প্রধান কারণ। বিগত বছরগুলোতে দেশটির সরকার সব সময় অভিবাসীদের স্বাগত জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল সরকার বর্তমানে জনমত জরিপে পিছিয়ে আছে। চলতি সপ্তাহে দলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনেও হেরেছে। এরপরই কানাডা সরকার বিদেশি কর্মী প্রবেশ কমানোর এ পরিকল্পনা ঘোষণা করল।
গত এক বছরে কানাডার প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে ২ শতাংশ। দেশটির ডানপন্থি এবং অভিবাসনবিরোধী বিভিন্ন দল এজন্য অভিবাসীদের ঘনত্বকে দায়ী করছেন। জনগণের মধ্যেও ক্রমশ অভিাবাসীবিরোধী মনোভাব শক্ত হচ্ছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডার সরকার।
এক বিবৃতিতে কানাডার অভিবাসনমন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, বাস্তবতা হলো কানাডায় যাঁরা আসতে চান, সবাই তা পারবেন না। কানাডায় আসতে পারা একটা সুযোগের ব্যাপার। এটি কোনো অধিকার নয়।
গত এপ্রিলে কানাডায় অস্থায়ী বাসিন্দা ছিল মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। কানাডা সরকার চাইছে এটি পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনতে। সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসনের অভাব এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়সহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার জন্য কানাডায় অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ৬ মাসে ৪২ হাজার মানুষ কানাডা ছেড়েছেন। ২০২২ সালে কানাডা ছাড়েন ৯৩ হাজার ৮১৮ জন। এর আগের বছর ৮৫ হাজার ৯২৭ জন দেশটি ছেড়েছিলেন বলে সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে।
কানাডা ছেড়ে অন্য দেশে অভিবাসন গড়েছেন কিংবা ছেড়ে যেতে চাইছেন—এমন ব্যক্তিরা বলছেন, বাসস্থান সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলেই কানাডায় বসবাস খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কানাডার জনসংখ্যার একটি বিপুল অংশ এখন বয়স্ক। তাই দেশটির অর্থনীতিকে অভিবাসীদের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

অস্থায়ী বাসিন্দাদের সংখ্যা কমাতে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্কিং পারমিট যোগ্যতা আরও কড়াকড়ি করার ঘোষণা দিল কানাডা। বুধবার কানাডার অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার এ তথ্য জানান।
ভৌগলিক আয়তনের বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা। বরাবরই অভিবাসীদের জন্য এটি স্বপ্নের গন্তব্য। উন্নত জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ এবং আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার স্বল্পতাই এর প্রধান কারণ। বিগত বছরগুলোতে দেশটির সরকার সব সময় অভিবাসীদের স্বাগত জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল সরকার বর্তমানে জনমত জরিপে পিছিয়ে আছে। চলতি সপ্তাহে দলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনেও হেরেছে। এরপরই কানাডা সরকার বিদেশি কর্মী প্রবেশ কমানোর এ পরিকল্পনা ঘোষণা করল।
গত এক বছরে কানাডার প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে ২ শতাংশ। দেশটির ডানপন্থি এবং অভিবাসনবিরোধী বিভিন্ন দল এজন্য অভিবাসীদের ঘনত্বকে দায়ী করছেন। জনগণের মধ্যেও ক্রমশ অভিাবাসীবিরোধী মনোভাব শক্ত হচ্ছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডার সরকার।
এক বিবৃতিতে কানাডার অভিবাসনমন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, বাস্তবতা হলো কানাডায় যাঁরা আসতে চান, সবাই তা পারবেন না। কানাডায় আসতে পারা একটা সুযোগের ব্যাপার। এটি কোনো অধিকার নয়।
গত এপ্রিলে কানাডায় অস্থায়ী বাসিন্দা ছিল মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। কানাডা সরকার চাইছে এটি পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনতে। সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসনের অভাব এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়সহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার জন্য কানাডায় অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ৬ মাসে ৪২ হাজার মানুষ কানাডা ছেড়েছেন। ২০২২ সালে কানাডা ছাড়েন ৯৩ হাজার ৮১৮ জন। এর আগের বছর ৮৫ হাজার ৯২৭ জন দেশটি ছেড়েছিলেন বলে সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে।
কানাডা ছেড়ে অন্য দেশে অভিবাসন গড়েছেন কিংবা ছেড়ে যেতে চাইছেন—এমন ব্যক্তিরা বলছেন, বাসস্থান সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলেই কানাডায় বসবাস খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কানাডার জনসংখ্যার একটি বিপুল অংশ এখন বয়স্ক। তাই দেশটির অর্থনীতিকে অভিবাসীদের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ড্রস্কি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বিইটি অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হয়েছি। আমার আগে যেসব কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন, তারা মানদণ্ড অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। তবে মঞ্চে আমি আমার নিজস্ব ধরনের কমেডিই নিয়ে আসব।”

বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
২ দিন আগে