
বিডিজেন ডেস্ক

মেটা প্ল্যাটফর্মের ওভারসাইট বোর্ড গত ৪ সেপ্টেম্বর বলেছে, ফেসবুক ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো এমন কোনো বাক্যাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলবে না। এমনকি যদি তার দ্বারা ইহুদিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতি সমর্থন দেখা যায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত’–র মতো এমন কিছু শব্দগুচ্ছের ব্যবহার করা হয়, যার বিশেষ কিছু অর্থ রয়েছে। আর এর ব্যবহারকে ক্ষতিকর, হিংসাত্মক বা বৈষম্যমূলক বলে মনে করা যায় না।
যেমন ‘নদী থেকে সমুদ্র’ শব্দগুচ্ছটি জর্ডান নদী ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যবর্তী এলাকাকে বোঝায়, যেখানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন অঞ্চল রয়েছে। এটি প্রায়ই ফিলিস্তিনপন্থীরা তাদের বিক্ষোভে স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে।
শব্দগুচ্ছের সমালোচকরা বলছেন, এটি ইহুদি বিরোধী এবং ইসরায়েলের নির্মূলের আহ্বান। অন্যান্য গোষ্ঠী এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করে।
ওভারসাইট বোর্ডের সহ-সভাপতি পামেলা সান মার্টিন বলেন, “প্রসঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য মুছে ফেলা কোনো সমাধান নয়। বিশেষ করে সংকট ও সংঘাতের সময়ে বিতর্কের জায়গা থাকা দরকার।”
ওভারসাইট বোর্ড বলেছে যে, এই শব্দগুচ্ছ বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের ফেসবুকে পোস্ট করা বিষয়বস্তু সম্পর্কিত তিনটি ক্ষেত্রে পর্যালোচনা করার পর তারা এই সিদ্ধান্তে এসেছে।
এ ব্যাপারে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইনস্টিটিউটের লিটিগেশন ডিরেক্টর অ্যালেক্স আবদো বলেন, সিদ্ধান্তটি বাকস্বাধীনতার পক্ষে এবং যথার্থ।
অ্যান্টি-ডিফামেশন লীগ নামে ইহুদিদের একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ বলেছে, সিদ্ধান্তটি অদূরদর্শী। কারণ এই শব্দগুচ্ছের ব্যবহার ইহুদি ও ইসরায়েলপন্থীদের অনিরাপদ বোধ করতে সাহায্য করেছে।

মেটা প্ল্যাটফর্মের ওভারসাইট বোর্ড গত ৪ সেপ্টেম্বর বলেছে, ফেসবুক ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো এমন কোনো বাক্যাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলবে না। এমনকি যদি তার দ্বারা ইহুদিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতি সমর্থন দেখা যায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত’–র মতো এমন কিছু শব্দগুচ্ছের ব্যবহার করা হয়, যার বিশেষ কিছু অর্থ রয়েছে। আর এর ব্যবহারকে ক্ষতিকর, হিংসাত্মক বা বৈষম্যমূলক বলে মনে করা যায় না।
যেমন ‘নদী থেকে সমুদ্র’ শব্দগুচ্ছটি জর্ডান নদী ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যবর্তী এলাকাকে বোঝায়, যেখানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন অঞ্চল রয়েছে। এটি প্রায়ই ফিলিস্তিনপন্থীরা তাদের বিক্ষোভে স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে।
শব্দগুচ্ছের সমালোচকরা বলছেন, এটি ইহুদি বিরোধী এবং ইসরায়েলের নির্মূলের আহ্বান। অন্যান্য গোষ্ঠী এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করে।
ওভারসাইট বোর্ডের সহ-সভাপতি পামেলা সান মার্টিন বলেন, “প্রসঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য মুছে ফেলা কোনো সমাধান নয়। বিশেষ করে সংকট ও সংঘাতের সময়ে বিতর্কের জায়গা থাকা দরকার।”
ওভারসাইট বোর্ড বলেছে যে, এই শব্দগুচ্ছ বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের ফেসবুকে পোস্ট করা বিষয়বস্তু সম্পর্কিত তিনটি ক্ষেত্রে পর্যালোচনা করার পর তারা এই সিদ্ধান্তে এসেছে।
এ ব্যাপারে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইনস্টিটিউটের লিটিগেশন ডিরেক্টর অ্যালেক্স আবদো বলেন, সিদ্ধান্তটি বাকস্বাধীনতার পক্ষে এবং যথার্থ।
অ্যান্টি-ডিফামেশন লীগ নামে ইহুদিদের একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ বলেছে, সিদ্ধান্তটি অদূরদর্শী। কারণ এই শব্দগুচ্ছের ব্যবহার ইহুদি ও ইসরায়েলপন্থীদের অনিরাপদ বোধ করতে সাহায্য করেছে।
ন্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সেই লকার থেকে ভল্টের চাবি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় ভল্ট থেকে বের করে আনেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
লোকমান এফেন্দি আরও জানান, অভিযানের সময় ২২টি সন্দেহজনক ও জালিয়াতিপূর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, অ্যাক্সেস কার্ড, কম্পিউটার সেট, প্রিন্টার, কাটিং মেশিন, লেজার এনগ্রেভিং মেশিন, কার্ভ কাটার এবং একটি বেনেলি লিওনসিনো মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা অবৈধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো।
ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত।