বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবে রাজধানী রিয়াদে জোরেশোরে চলছে একটি জাতীয় বিমান সংস্থা চালুর প্রক্রিয়া। নতুন এই বিমান সংস্থার নাম ‘রিয়াদ এয়ার’।
ইতিমধ্যে নতুন এই বিমান সংস্থা চালুর প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে। ২০২৫ সালে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সৌদি আরবের যুবরাজ ও পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিন সালমান ২০২৩ সালে (১২ মার্চ) নতুন এই বিমান সংস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এদিকে যুবরাজের ঘোষণার তিন মাস পর (১৫ জুন) দেশটির কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানে নতুন এই বিমান সংস্থার একটি উড়োজাহাজ সবার সামনে উন্মোচন ও পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে।
বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে হাজারো দর্শনার্থী সেদিন ভিড় জমিয়েছিলেন নতুন এই উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) উড্ডয়ন দেখতে।
রিয়াদের আকাশে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বেগুনি রঙের সেই উড়োজাহাজের গায়ে লেখা ছিল ‘রিয়াদ এয়ার’।
নতুন উড়োজাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের রাজপরিবারের সদস্য ও দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার প্রিন্সেস হাইফা আল সৌদ ও রিয়াদ এয়ারের প্রধান নির্বাহী (সিইও) টনি ডগলাসসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় টনি ডগলাস জানান, রিয়াদ এয়ার ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে।
টনি ডগলাসের বিমান চালনা, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে ৪০ বছরের বেশি কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
খালিজ টাইমস সূত্রে জানা যায়, উদ্বোধনের পর বিমানটি কিং আবদুল্লাহ ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট, বুলেভার্ড সিটিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এর উদ্দেশ্য ছিল, নতুন জাতীয় উড়োজাহাজকে একঝলক দেখিয়ে দেশটির জনসাধারণকে রোমাঞ্চিত করা।
অন্যদিকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ নতুন বিমান সংস্থা বিশ্বজুড়ে ১০০টির বেশি গন্তব্যে সেবা দেবে। এই বিমান সংস্থার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুই লাখের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের বিকাশে সৌদি আরব সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু মেগা বা বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। রিয়াদ এয়ার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন।
এই বিমান সংস্থা পুরোপুরিভাবে সৌদি আরবের নিজস্ব তহবিল পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) মাধ্যমে পরিচালিত হবে। পিআইএফের অধীন ৬০ হাজার কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ আছে। শুধু তেল বিক্রির ওপর নির্ভর না করে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যপূর্ণ করে তুলতে এ তহবিল ব্যবহার করা হয়।
বৈশ্বিক বিমান চলাচল ব্যবসায় সৌদি আরবের অবস্থান নতুন নয়। এত দিন সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ছিল দেশটির একমাত্র জাতীয় বিমান সংস্থা। এটি সৌদিয়া নামেও পরিচিত। ১৯৪৫ সালে সৌদিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
সৌদিয়া মূলত দেশটির জেদ্দা শহরভিত্তিক বিমানসংস্থা। জেদ্দা ও পবিত্র শহর মক্কায় ব্যবসায়িক কাজে এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারীদের জন্য একটি ভালো বিমানসংস্থা হিসেবে সুনাম রয়েছে সৌদিয়ার।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী দ্বিতীয় জাতীয় বিমানসংস্থা রিয়াদ এয়ার সৌদি আরবের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধা নিয়ে রিয়াদকে একটি বৈশ্বিক এয়ারলাইন হাব হিসেবে তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
খালিজ টাইমসের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে রিয়াদ এয়ার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে বিশ্বের ১০০টির বেশি গন্তব্যে যাতায়াত করবে। ভৌগোলিকভাবে সৌদি আরবের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে বিশ্বের ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ আট ঘণ্টা ফ্লাইং সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। অর্থাৎ বিমান সংস্থাটি এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ—এই তিন মহাদেশকে সহজেই সংযুক্ত করতে পারবে। এতে দেশটির জাতীয় পরিবহন, সরবরাহ ও পর্যটন খাতে প্রবৃদ্ধি ঘটবে।
অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি এটি প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও বড় প্রতিযোগিতা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো এমনিতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় উড়োজাহাজ চলাচল কেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত। যেমন দুবাইয়ের এমিরেটস, আবুধাবির ইতিহাদ ও দোহার কাতার এয়ারওয়েজ বিশ্বের সব অঞ্চলেই জনপ্রিয়। এসব বিমান সংস্থার সঙ্গে নতুন প্রতিযোগী হিসেবে নাম লেখাল রিয়াদ এয়ার।
সৌদিয়া প্রতিবছরই নতুন গন্তব্য ও উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এখন দেশটির নতুন আরেকটি জাতীয় বিমান পরিবহন সংস্থার আগমনকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে সৌদিয়া।
সৌদি আরবে রাজধানী রিয়াদে জোরেশোরে চলছে একটি জাতীয় বিমান সংস্থা চালুর প্রক্রিয়া। নতুন এই বিমান সংস্থার নাম ‘রিয়াদ এয়ার’।
ইতিমধ্যে নতুন এই বিমান সংস্থা চালুর প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে। ২০২৫ সালে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সৌদি আরবের যুবরাজ ও পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিন সালমান ২০২৩ সালে (১২ মার্চ) নতুন এই বিমান সংস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এদিকে যুবরাজের ঘোষণার তিন মাস পর (১৫ জুন) দেশটির কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানে নতুন এই বিমান সংস্থার একটি উড়োজাহাজ সবার সামনে উন্মোচন ও পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে।
বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে হাজারো দর্শনার্থী সেদিন ভিড় জমিয়েছিলেন নতুন এই উড়োজাহাজের (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) উড্ডয়ন দেখতে।
রিয়াদের আকাশে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বেগুনি রঙের সেই উড়োজাহাজের গায়ে লেখা ছিল ‘রিয়াদ এয়ার’।
নতুন উড়োজাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের রাজপরিবারের সদস্য ও দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার প্রিন্সেস হাইফা আল সৌদ ও রিয়াদ এয়ারের প্রধান নির্বাহী (সিইও) টনি ডগলাসসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় টনি ডগলাস জানান, রিয়াদ এয়ার ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে।
টনি ডগলাসের বিমান চালনা, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে ৪০ বছরের বেশি কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
খালিজ টাইমস সূত্রে জানা যায়, উদ্বোধনের পর বিমানটি কিং আবদুল্লাহ ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট, বুলেভার্ড সিটিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এর উদ্দেশ্য ছিল, নতুন জাতীয় উড়োজাহাজকে একঝলক দেখিয়ে দেশটির জনসাধারণকে রোমাঞ্চিত করা।
অন্যদিকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ নতুন বিমান সংস্থা বিশ্বজুড়ে ১০০টির বেশি গন্তব্যে সেবা দেবে। এই বিমান সংস্থার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুই লাখের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের বিকাশে সৌদি আরব সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু মেগা বা বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। রিয়াদ এয়ার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন।
এই বিমান সংস্থা পুরোপুরিভাবে সৌদি আরবের নিজস্ব তহবিল পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) মাধ্যমে পরিচালিত হবে। পিআইএফের অধীন ৬০ হাজার কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ আছে। শুধু তেল বিক্রির ওপর নির্ভর না করে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যপূর্ণ করে তুলতে এ তহবিল ব্যবহার করা হয়।
বৈশ্বিক বিমান চলাচল ব্যবসায় সৌদি আরবের অবস্থান নতুন নয়। এত দিন সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ছিল দেশটির একমাত্র জাতীয় বিমান সংস্থা। এটি সৌদিয়া নামেও পরিচিত। ১৯৪৫ সালে সৌদিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
সৌদিয়া মূলত দেশটির জেদ্দা শহরভিত্তিক বিমানসংস্থা। জেদ্দা ও পবিত্র শহর মক্কায় ব্যবসায়িক কাজে এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারীদের জন্য একটি ভালো বিমানসংস্থা হিসেবে সুনাম রয়েছে সৌদিয়ার।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী দ্বিতীয় জাতীয় বিমানসংস্থা রিয়াদ এয়ার সৌদি আরবের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধা নিয়ে রিয়াদকে একটি বৈশ্বিক এয়ারলাইন হাব হিসেবে তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
খালিজ টাইমসের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে রিয়াদ এয়ার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে বিশ্বের ১০০টির বেশি গন্তব্যে যাতায়াত করবে। ভৌগোলিকভাবে সৌদি আরবের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে বিশ্বের ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ আট ঘণ্টা ফ্লাইং সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। অর্থাৎ বিমান সংস্থাটি এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ—এই তিন মহাদেশকে সহজেই সংযুক্ত করতে পারবে। এতে দেশটির জাতীয় পরিবহন, সরবরাহ ও পর্যটন খাতে প্রবৃদ্ধি ঘটবে।
অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি এটি প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও বড় প্রতিযোগিতা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো এমনিতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় উড়োজাহাজ চলাচল কেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত। যেমন দুবাইয়ের এমিরেটস, আবুধাবির ইতিহাদ ও দোহার কাতার এয়ারওয়েজ বিশ্বের সব অঞ্চলেই জনপ্রিয়। এসব বিমান সংস্থার সঙ্গে নতুন প্রতিযোগী হিসেবে নাম লেখাল রিয়াদ এয়ার।
সৌদিয়া প্রতিবছরই নতুন গন্তব্য ও উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এখন দেশটির নতুন আরেকটি জাতীয় বিমান পরিবহন সংস্থার আগমনকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে সৌদিয়া।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ-যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখন্ড গাজায় গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নিহত হয়েছে আরও ৩৩ জন, আহত আরও শতাধিক। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরের হামলার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ জন নিহত হয়েছে।
চার্টের শুল্ক নির্দেশক রেখাগুলো এক ধাক্কায় এতটা ওপরে উঠেছে, যা বিগত এক শতকের মধ্যে দেখা যায়নি। এমনকি এই রেখাগুলো গত শতকের ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির উচ্চ সংরক্ষণবাদের সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ওপর উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন, তার বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে চীন, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ অনেকগুলো দেশ।
মিয়ানমারে গত শুক্রবারের (২৮ মার্চ) ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।