

সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

একটা নামহীন স্রোত বয়ে যায়,
যেখানে তুমি আর আমি একই জলে মিলিনি কখনো।
তার উপস্থিতি—একটা নীরব শব্দ,
যা বুনো পাখির ডানার মতো হাওয়া কাটে মনে।
সে নেই কোনো মুখে, নেই কোনো শব্দে,
শুধু একটা ছায়া, যা কখনোই পূর্ণ হয় না।
তার মায়া হঠাৎ বৃষ্টির মতো এসে পড়ে,
তুমি ছাতাওয়ালা হলেও ভিজে যাও।
তার চোখের গভীরতা মানে জানো?
একটি বিশাল ভাঙা আয়না,
যার ভাঙা টুকরোগুলো আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে,
তুমি যা ধরতে চাও, তা চিরকাল ঢেলে গড়ায়।
সে যেমন কাছে, তেমনি দূরে—
একটু ছুঁয়ে দেখো, হাত থেকে ফসকে যায়,
তাই হয়তো তাকে বলা হয় মায়াবী,
যার অস্তিত্ব স্পর্শের বাইরে।
সে থাকে অনাবৃত এক ফাঁকা ঘরে,
যেখানে শব্দগুলো নিঃশব্দে পাড়ি দেয়,
আর তুমি ধীরে ধীরে বুঝতে পারো,
তার ভালোবাসা আসলে কোনো জায়গায় নয়,
একটা অনির্বচনীয় ফাঁক।

একটা নামহীন স্রোত বয়ে যায়,
যেখানে তুমি আর আমি একই জলে মিলিনি কখনো।
তার উপস্থিতি—একটা নীরব শব্দ,
যা বুনো পাখির ডানার মতো হাওয়া কাটে মনে।
সে নেই কোনো মুখে, নেই কোনো শব্দে,
শুধু একটা ছায়া, যা কখনোই পূর্ণ হয় না।
তার মায়া হঠাৎ বৃষ্টির মতো এসে পড়ে,
তুমি ছাতাওয়ালা হলেও ভিজে যাও।
তার চোখের গভীরতা মানে জানো?
একটি বিশাল ভাঙা আয়না,
যার ভাঙা টুকরোগুলো আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে,
তুমি যা ধরতে চাও, তা চিরকাল ঢেলে গড়ায়।
সে যেমন কাছে, তেমনি দূরে—
একটু ছুঁয়ে দেখো, হাত থেকে ফসকে যায়,
তাই হয়তো তাকে বলা হয় মায়াবী,
যার অস্তিত্ব স্পর্শের বাইরে।
সে থাকে অনাবৃত এক ফাঁকা ঘরে,
যেখানে শব্দগুলো নিঃশব্দে পাড়ি দেয়,
আর তুমি ধীরে ধীরে বুঝতে পারো,
তার ভালোবাসা আসলে কোনো জায়গায় নয়,
একটা অনির্বচনীয় ফাঁক।
দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে।
আমার কাছে বিষ্ময়কর লাগে, মালয়েশিয়ার যত মসজিদে ঈদের তাকবির শুনেছি, মনে হয় সবার কণ্ঠ যেন একই! যেন রেকর্ড করা তাকবির বাজানো হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। সরাসরি তাকবির পাঠ করেন মসজিদের ঈমাম ও মুসল্লিরা। সবাই সেই মধুর সুরে। একই ছন্দে।
নিজের বিপরীতে চলছি আমি/ ঘন অন্ধকার/ তুমি অদেখা ছায়া/ তুমি ছায়ার তরঙ্গ,/ তুমি আদি এবং মৌলিক/ উপলব্ধির বদল তুমি,/ স্বপ্ন, ওটা মিথ্যে/ অপ্রতিরোধ্য সত্য হলো জীবন্ত স্পন্দন।
বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার শক্তি আসে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি থেকে। নাগরিক সমাজকে বাদ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও বাস্তবে তা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হবে। ফলে জাতিসংঘ আরও দূরে সরে যাবে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে।