
প্রতিবেদক, বিডিজেন

আকাশে সবে লাল সূর্য উঠতে শুরু করেছে। রাজধানী ঢাকার রমনা বটমূলের মঞ্চে প্রস্তুত শিল্পীরা। শিল্পী সুপ্রিয়া দাশ গেয়ে উঠলেন ‘ভৈরবী’ রাগালাপ। এর মধ্য দিয়ে আজ পয়লা বৈশাখ (সোমবার) ভোরে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের উদ্যোগে শুরু হয় বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণের পালা।
রাগালাপের পর ‘নূতন প্রাণ দাও, প্রাণসখা’ সম্মেলক গান শোনান ছায়ানটের শিল্পীরা। ‘তিমির দুয়ার খোলো’ একক গান পরিবেশন করেন শিল্পী দীপ্র নিশান্ত। পাখিডাকা ভোরে, সবুজের আচ্ছাদনে দর্শনার্থীরা যেন মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেন এ আয়োজন।
এরপর একে একে ২৫টি রাগালাপ, গান আর আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ছায়ানটের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় জাতীয় সংগীত। এ সময় কণ্ঠ মেলান উপস্থিত হাজারো দর্শক। এর মধ্য দিয়ে এবারের আয়োজন শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ‘নববর্ষের কথন’ বিষয়ে বক্তব্য দেন ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি সারওয়ার আলী। তিনি বলেন, সবাই ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, মুক্তচিন্তার নির্ভয় প্রকাশ, আবহমান সংস্কৃতির নির্বিঘ্ন যাত্রা হৃদয়ে ধারণ করলে মুক্তির আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুগম হবেই।
তিনি আরও বলেন, মুক্তির অন্বেষায়, দীর্ঘ বন্ধুর পথপরিক্রমায় অর্ধশতবর্ষ আগে, বিপুল আত্মদানের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এই যাত্রাপথের নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে। ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে বাঙালির শিল্প, সাহিত্য, সংগীতসহ সব মাধ্যম ও বিভিন্ন স্থাপনায়। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের সংগ্রামে অনন্য মাত্রা যুক্ত করেছে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এই অসাম্প্রদায়িক উৎসব, নতুন বাংলা বছরকে বরণ করার আয়োজন।
অনুষ্ঠানের শেষে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আকাশে সবে লাল সূর্য উঠতে শুরু করেছে। রাজধানী ঢাকার রমনা বটমূলের মঞ্চে প্রস্তুত শিল্পীরা। শিল্পী সুপ্রিয়া দাশ গেয়ে উঠলেন ‘ভৈরবী’ রাগালাপ। এর মধ্য দিয়ে আজ পয়লা বৈশাখ (সোমবার) ভোরে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের উদ্যোগে শুরু হয় বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণের পালা।
রাগালাপের পর ‘নূতন প্রাণ দাও, প্রাণসখা’ সম্মেলক গান শোনান ছায়ানটের শিল্পীরা। ‘তিমির দুয়ার খোলো’ একক গান পরিবেশন করেন শিল্পী দীপ্র নিশান্ত। পাখিডাকা ভোরে, সবুজের আচ্ছাদনে দর্শনার্থীরা যেন মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেন এ আয়োজন।
এরপর একে একে ২৫টি রাগালাপ, গান আর আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ছায়ানটের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় জাতীয় সংগীত। এ সময় কণ্ঠ মেলান উপস্থিত হাজারো দর্শক। এর মধ্য দিয়ে এবারের আয়োজন শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ‘নববর্ষের কথন’ বিষয়ে বক্তব্য দেন ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি সারওয়ার আলী। তিনি বলেন, সবাই ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, মুক্তচিন্তার নির্ভয় প্রকাশ, আবহমান সংস্কৃতির নির্বিঘ্ন যাত্রা হৃদয়ে ধারণ করলে মুক্তির আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুগম হবেই।
তিনি আরও বলেন, মুক্তির অন্বেষায়, দীর্ঘ বন্ধুর পথপরিক্রমায় অর্ধশতবর্ষ আগে, বিপুল আত্মদানের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এই যাত্রাপথের নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে। ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে বাঙালির শিল্প, সাহিত্য, সংগীতসহ সব মাধ্যম ও বিভিন্ন স্থাপনায়। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের সংগ্রামে অনন্য মাত্রা যুক্ত করেছে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এই অসাম্প্রদায়িক উৎসব, নতুন বাংলা বছরকে বরণ করার আয়োজন।
অনুষ্ঠানের শেষে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো হয়েছে। ৫, ২ ও ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারে স্বস্তি আনতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক পণ্য ও সেবায় কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সেসব ক্ষেত্রে দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু খাতে শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে।