
বিডিজেন ডেস্ক

ফারহান ফাইয়াজরা যতদিন আছে, তত দিন ছাত্রলীগ ফিরতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানী ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল কলেজে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ দেশে খুনিদের কোনো জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাজপথে নামে রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। ১৮ জুলাই শহীদ হয় রেসিডেন্সিয়ার কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান ফাইয়াজ।
গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়াদের স্মরণে ‘স্মৃতি অমলিন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রেসিডেন্সিয়াল কলেজ। শ্রদ্ধা জানানো হয় ফারহান ফাইয়াজসহ সকল জুলাই শহীদদের।
শহীদদের স্মরণে পরিবেশন করা হয় প্রতিবাদী গান ও নাটক। তুলে ধরা হয় জুলাইয়ের বিভীষিকাময় চিত্র।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ পরিশুদ্ধ হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, খুনিদের ফিরে আসার স্বপ্ন কোনো দিন পূরণ হবে না।
শফিকুল আলম বলেন, ‘বিচার কাজ শুরু হয়েছে, ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, একজন শুটারকে আইডেন্টিফাই করা হয়েছে। আর বাকি যারা শুটার ছিল প্রত্যেককে আমরা আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করছি। আর যারা অ্যাটাক করেছিল, ছাত্রলীগ তারা কিন্তু ব্যান্ড হয়ে গেছে। অনেকে তাদের ফিরে আসার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু ফাইয়াজরা যতদিন আমাদের সঙ্গে আছে, এটা জীবনে ফিরবে না। খুনিদের বাংলাদেশে কোনো জায়গা নেই।’

ফারহান ফাইয়াজরা যতদিন আছে, তত দিন ছাত্রলীগ ফিরতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানী ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল কলেজে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ দেশে খুনিদের কোনো জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাজপথে নামে রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। ১৮ জুলাই শহীদ হয় রেসিডেন্সিয়ার কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান ফাইয়াজ।
গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়াদের স্মরণে ‘স্মৃতি অমলিন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রেসিডেন্সিয়াল কলেজ। শ্রদ্ধা জানানো হয় ফারহান ফাইয়াজসহ সকল জুলাই শহীদদের।
শহীদদের স্মরণে পরিবেশন করা হয় প্রতিবাদী গান ও নাটক। তুলে ধরা হয় জুলাইয়ের বিভীষিকাময় চিত্র।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ পরিশুদ্ধ হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, খুনিদের ফিরে আসার স্বপ্ন কোনো দিন পূরণ হবে না।
শফিকুল আলম বলেন, ‘বিচার কাজ শুরু হয়েছে, ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, একজন শুটারকে আইডেন্টিফাই করা হয়েছে। আর বাকি যারা শুটার ছিল প্রত্যেককে আমরা আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করছি। আর যারা অ্যাটাক করেছিল, ছাত্রলীগ তারা কিন্তু ব্যান্ড হয়ে গেছে। অনেকে তাদের ফিরে আসার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু ফাইয়াজরা যতদিন আমাদের সঙ্গে আছে, এটা জীবনে ফিরবে না। খুনিদের বাংলাদেশে কোনো জায়গা নেই।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।