
প্রতিবেদক, বিডিজেন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছেন। ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে।
চার দিনের কলম-ধর্মঘটের পর শনিবার কর্মকর্তারা করদাতাদের পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। আজ রোববার (২৯ জুন) ওই কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তারা এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ ও 'প্রতিহিংসামূলক বদলি' বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছেন। তবে, চলমান কর্মসূচি থেকে কেবল আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিষেবাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন।
এ সময় ঢাকার আগারগাঁওয়ে এনবিআর সদর দপ্তরের ভেতরে ও বাইরে পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন দেখা গেছে।
অনেককে এনবিআর প্রাঙ্গণে প্রধান ফটকে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। এসময় তারা এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছেন। ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে।
চার দিনের কলম-ধর্মঘটের পর শনিবার কর্মকর্তারা করদাতাদের পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। আজ রোববার (২৯ জুন) ওই কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তারা এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ ও 'প্রতিহিংসামূলক বদলি' বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছেন। তবে, চলমান কর্মসূচি থেকে কেবল আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিষেবাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন।
এ সময় ঢাকার আগারগাঁওয়ে এনবিআর সদর দপ্তরের ভেতরে ও বাইরে পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন দেখা গেছে।
অনেককে এনবিআর প্রাঙ্গণে প্রধান ফটকে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। এসময় তারা এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিলেন।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণই চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরন এবং জনসংখ্যার বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই।