
বিডিজেন ডেস্ক

গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, গণভোটে অংশ নিন। হ্যাঁ-তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে সিল দিন। দেশ পাল্টে দিন।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। গণভোটে অংশ নিন। হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য-শোষণ-নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।”
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
সরকার এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। যা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। গতকাল রোববার গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যাও দিয়েছে সরকার।

গণভোটে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, গণভোটে অংশ নিন। হ্যাঁ-তে সিল দিন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে সিল দিন। দেশ পাল্টে দিন।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। গণভোটে অংশ নিন। হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য-শোষণ-নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।”
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
সরকার এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। যা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। গতকাল রোববার গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যাও দিয়েছে সরকার।
এবারই প্রথম যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশি জনশক্তির সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা, ব্যাংকিং সুবিধা এবং জরুরি সহায়তা একসঙ্গে দেওয়া হবে।”
ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো হয়েছে। ৫, ২ ও ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারে স্বস্তি আনতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক পণ্য ও সেবায় কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সেসব ক্ষেত্রে দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু খাতে শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।