
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা পাঠানো নিশ্চিত করতে আমেরিকা যে সময় ঠিক করে দিয়েছিল তা মানেনি ইসরায়েল। বরং অবস্থা আগের চেয়ে আরও বেশি খারাপের দিকে গেছে।
জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলকে এই ইস্যুতে ৩০ দিন সময় দিয়ে গত মাসে চিঠি দেয় আমেরিকা। ১৩ নভেম্বর শেষ হচ্ছে ওই আলটিমেটাম। এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অধিকার সংগঠনগুলো।
আজ ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল, অক্সফাম, রিফিউজি ইন্টারন্যাশনাল ও সেভ দ্য চিলড্রেন গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ইসরায়েল শুধু মার্কিন মানদণ্ড পূরণ করতেই ব্যর্থ হয়নি। মানবিকতার প্রতি সমর্থন নির্দেশ করে এমন নির্দেশনাও পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
সংস্থাগুলো বলছে, একই সাথে ইসরায়েল এমন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা নাটকীয়ভাবে স্থলভাগে পরিস্থিতির বিশেষ করে উত্তর গাজার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এক মাস আগের তুলনায় আজকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।
অধিকার সংস্থাগুলো আরও বলেছে, ইসরায়েল তার মিত্রদের দাবি মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইসরায়েলকে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেত আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই আহ্বান না মানলে বাইডেন সরকার ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা পাঠাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
ইসরায়েলকে পাঠানো চিঠিতে সই করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। এতে বলা হয়, ‘অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতির’ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গভীর উদ্বেগ’ রয়েছে। আগের মাসে উত্তর এবং দক্ষিণ গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাতে ইসরায়েলের বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
চিঠিতে বলা হয়, গাজার অনেক মানুষকে ইসরায়েল সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে। চিঠিতে এক মাসের মধ্যে ইসরায়েল সরকারের জরুরি এবং টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করা হয়।
বিবিসি জানায়, ওই চিঠির অর্থ হলো মানবিক সহায়তা সরবরাহে বাধা দেয় এমন দেশগুলোতে সামরিক সহায়তা নিষিদ্ধ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এতে ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয় বলে জানায় ইসরায়েল। এরপর গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ। যুদ্ধ লেগে যায় দুই পক্ষে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলা এখনো অব্যাহত। মাঝে কিছুদিন যুদ্ধবিরতি থাকলেও অবস্থা তেমন পরিবর্তন হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা পাঠানো নিশ্চিত করতে আমেরিকা যে সময় ঠিক করে দিয়েছিল তা মানেনি ইসরায়েল। বরং অবস্থা আগের চেয়ে আরও বেশি খারাপের দিকে গেছে।
জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলকে এই ইস্যুতে ৩০ দিন সময় দিয়ে গত মাসে চিঠি দেয় আমেরিকা। ১৩ নভেম্বর শেষ হচ্ছে ওই আলটিমেটাম। এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অধিকার সংগঠনগুলো।
আজ ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল, অক্সফাম, রিফিউজি ইন্টারন্যাশনাল ও সেভ দ্য চিলড্রেন গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ইসরায়েল শুধু মার্কিন মানদণ্ড পূরণ করতেই ব্যর্থ হয়নি। মানবিকতার প্রতি সমর্থন নির্দেশ করে এমন নির্দেশনাও পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
সংস্থাগুলো বলছে, একই সাথে ইসরায়েল এমন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা নাটকীয়ভাবে স্থলভাগে পরিস্থিতির বিশেষ করে উত্তর গাজার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এক মাস আগের তুলনায় আজকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।
অধিকার সংস্থাগুলো আরও বলেছে, ইসরায়েল তার মিত্রদের দাবি মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইসরায়েলকে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেত আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই আহ্বান না মানলে বাইডেন সরকার ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা পাঠাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
ইসরায়েলকে পাঠানো চিঠিতে সই করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। এতে বলা হয়, ‘অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতির’ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গভীর উদ্বেগ’ রয়েছে। আগের মাসে উত্তর এবং দক্ষিণ গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাতে ইসরায়েলের বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
চিঠিতে বলা হয়, গাজার অনেক মানুষকে ইসরায়েল সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে। চিঠিতে এক মাসের মধ্যে ইসরায়েল সরকারের জরুরি এবং টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করা হয়।
বিবিসি জানায়, ওই চিঠির অর্থ হলো মানবিক সহায়তা সরবরাহে বাধা দেয় এমন দেশগুলোতে সামরিক সহায়তা নিষিদ্ধ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এতে ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয় বলে জানায় ইসরায়েল। এরপর গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ। যুদ্ধ লেগে যায় দুই পক্ষে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলা এখনো অব্যাহত। মাঝে কিছুদিন যুদ্ধবিরতি থাকলেও অবস্থা তেমন পরিবর্তন হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”