
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যা মামলায় ৩ অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া, মামলা থেকে খালাস পেয়েছে ৪ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকা মহানগরের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন। সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া তিন অভিযুক্ত হলেন তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল, রাসেল চৌধুরী ওরফে চাক্কি রাসেল ও মিনহাজুল আরেফিন ওরফে ভাগনে রাসেল। রায়ের পর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
খালাস পাওয়া ৪ জন হলেন বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, তাঁর ভাই এম এ মতিন, শাখাওয়াত হোসেন ও সোহেল ওরফে ভাঙারি সোহেল।
২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের ৯০ নম্বর সড়কের ফুটপাতে সিজারকে (৫১) গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যা মামলায় ২০১৬ সালের ২২ জুন ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইতালির নাগরিক সিজারকে হত্যা করে।

ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলা হত্যা মামলায় ৩ অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া, মামলা থেকে খালাস পেয়েছে ৪ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকা মহানগরের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন। সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া তিন অভিযুক্ত হলেন তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল, রাসেল চৌধুরী ওরফে চাক্কি রাসেল ও মিনহাজুল আরেফিন ওরফে ভাগনে রাসেল। রায়ের পর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
খালাস পাওয়া ৪ জন হলেন বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, তাঁর ভাই এম এ মতিন, শাখাওয়াত হোসেন ও সোহেল ওরফে ভাঙারি সোহেল।
২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের ৯০ নম্বর সড়কের ফুটপাতে সিজারকে (৫১) গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যা মামলায় ২০১৬ সালের ২২ জুন ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইতালির নাগরিক সিজারকে হত্যা করে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি