
বিডিজেন ডেস্ক

অবৈধ পথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিতে গিয়ে লিবিয়ায় ধরা পড়া ১৭৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১০টায় বুরাক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় বলা হয়েছে, দেশটিতে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৬ জন বাংলাদেশিকে আইওএমের সহায়তায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়। লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তরের অভ্যর্থনা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের বিদায় জানান দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশারের নেতৃত্বাধীন দূতাবাসের প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসনের ফলে ব্যক্তির আর্থিক ও শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবার ও সমাজও দুর্ভোগের শিকার হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।’
প্রত্যাবাসিতরা যাতে নিজ নিজ এলাকায় অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেন, সেই আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীদের পরামর্শ দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিক দেশের অমূল্য সম্পদ। বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে বিদেশে গিয়ে দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করলে প্রবাসীরা কেবল পরিবারের জীবনমানই উন্নত করেন না, দেশের সুনামও বৃদ্ধি করেন।’
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, দেশে পাঠানোর আগে ওই বাংলাদেশিদের সাক্ষাৎ গ্রহণ ও পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়। এরপর স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় তাদের দেশে পাঠানো সম্ভব হয়।

অবৈধ পথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিতে গিয়ে লিবিয়ায় ধরা পড়া ১৭৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১০টায় বুরাক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় বলা হয়েছে, দেশটিতে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৬ জন বাংলাদেশিকে আইওএমের সহায়তায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়। লিবিয়ার অভিবাসন অধিদপ্তরের অভ্যর্থনা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের বিদায় জানান দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশারের নেতৃত্বাধীন দূতাবাসের প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসনের ফলে ব্যক্তির আর্থিক ও শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবার ও সমাজও দুর্ভোগের শিকার হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।’
প্রত্যাবাসিতরা যাতে নিজ নিজ এলাকায় অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেন, সেই আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীদের পরামর্শ দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিক দেশের অমূল্য সম্পদ। বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে বিদেশে গিয়ে দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করলে প্রবাসীরা কেবল পরিবারের জীবনমানই উন্নত করেন না, দেশের সুনামও বৃদ্ধি করেন।’
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, দেশে পাঠানোর আগে ওই বাংলাদেশিদের সাক্ষাৎ গ্রহণ ও পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়। এরপর স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় তাদের দেশে পাঠানো সম্ভব হয়।
জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, সফরকালে আনোয়ার ইব্রাহীমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমবাজার সহজ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, এসব হামলা এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চলমান প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।
লেবাননে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় বৈরুতের হামরা এলাকায় দিপালীর নিয়োগকর্তার (কফিল) বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হামলা চালায়। এ সময় ভবনটি ধসে পড়ে। এতে দিপালীর নিয়োগকর্তা ও তার পরিবারের সদস্য এবং দিপালীসহ মোট সাতজন নিহত হন।