
বিডিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশগামী কর্মীদের ভিসা যাচাইসহ নানা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে ‘আমি প্রবাসী‘ অ্যাপ। এরই ধারাবহিকতায় সৌদি আরব, ওমান ও কাতার যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের যাত্রার আগে ভিসা যাচাইয়ের নতুন সেবা চালু করেছে অ্যাপটি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই সেবার বিষয়টি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সেবায় প্রবাসীরা হেল্পলাইনে কল করে ভিসার প্রয়োজনীয় তথ্য দেবেন। এরপর ‘আমি প্রবাসী’ টিম তথ্য যাচাই করবে। যাচাই শেষে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠানো হবে। মেসেজে ভিসাটি বৈধ নাকি অবৈধ তা জানানো হবে। যদি কোনো ভিসার তথ্য সার্ভারে না পাওয়া যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হবে। আর ভিসা বৈধ হলে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুমোদন থাকলে মেসেজে তা নিশ্চিত করা হবে।
স্বল্প সার্ভিস ফি দিয়ে সহজ ও দ্রুততার সঙ্গে এ যাচাই সেবা নেওয়া যাবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছে ‘আমি প্রবাসী’।
এ বিষয়ে প্ল্যাটফর্মটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক একরামুল হক বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ করাই আমাদের লক্ষ্য। দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ভিসা যাচাই সেবার মাধ্যমে আমরা ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে চাই। এতে প্রবাসীরা নিশ্চিন্তে বিদেশে যেতে পারবেন। এই উদ্যোগ আমাদের প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে চালু হওয়া ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি অভিবাসন প্রত্যাশী ও অভিবাসীদের জন্য একটি অভিনব উদ্যোগ। অভিবাসীরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন সেগুলো মোকাবিলায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে অ্যাপটি কাজ করে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশগামী কর্মীদের ভিসা যাচাইসহ নানা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে ‘আমি প্রবাসী‘ অ্যাপ। এরই ধারাবহিকতায় সৌদি আরব, ওমান ও কাতার যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের যাত্রার আগে ভিসা যাচাইয়ের নতুন সেবা চালু করেছে অ্যাপটি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই সেবার বিষয়টি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সেবায় প্রবাসীরা হেল্পলাইনে কল করে ভিসার প্রয়োজনীয় তথ্য দেবেন। এরপর ‘আমি প্রবাসী’ টিম তথ্য যাচাই করবে। যাচাই শেষে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠানো হবে। মেসেজে ভিসাটি বৈধ নাকি অবৈধ তা জানানো হবে। যদি কোনো ভিসার তথ্য সার্ভারে না পাওয়া যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হবে। আর ভিসা বৈধ হলে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুমোদন থাকলে মেসেজে তা নিশ্চিত করা হবে।
স্বল্প সার্ভিস ফি দিয়ে সহজ ও দ্রুততার সঙ্গে এ যাচাই সেবা নেওয়া যাবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছে ‘আমি প্রবাসী’।
এ বিষয়ে প্ল্যাটফর্মটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক একরামুল হক বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ করাই আমাদের লক্ষ্য। দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ভিসা যাচাই সেবার মাধ্যমে আমরা ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে চাই। এতে প্রবাসীরা নিশ্চিন্তে বিদেশে যেতে পারবেন। এই উদ্যোগ আমাদের প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে চালু হওয়া ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি অভিবাসন প্রত্যাশী ও অভিবাসীদের জন্য একটি অভিনব উদ্যোগ। অভিবাসীরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন সেগুলো মোকাবিলায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে অ্যাপটি কাজ করে যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।