
বাসস, ঢাকা

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ সোমবার (২৩ জুন) এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নাজুক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি বাড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে বাংলাদেশ তার দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।
ঢাকা সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—গঠনমূলক সম্পৃক্ততা, পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মেনে চলাই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ সোমবার (২৩ জুন) এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নাজুক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি বাড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উদ্যোগ গ্রহণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে বাংলাদেশ তার দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।
ঢাকা সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—গঠনমূলক সম্পৃক্ততা, পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মেনে চলাই দীর্ঘস্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খলিলুর রহমান আমেরিকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আমেরিকায় ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান।