
সিকান্দর হক, নিউইর্য়ক থেকে
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অন্যতম সংগঠন জ্যামাইকা ইন্টিগ্রেডেট বাংলাদেশি অফিসার্স নেটওয়ার্কের (জীবন) উদ্যোগে বার্ষিক ইফতার ডিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) জ্যামাইকার হিলসাইডে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির সুপরিচিত মুখ ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক লিডার অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।
সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এনওয়াইপিডির ১০৪ প্রিসিঙ্কটের ডেপুটি ইন্সপেক্টর কারাম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র অফিসের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মীর বাশার, ভালোর প্রতিষ্ঠাতা সিইও শাহরিয়ার রহমান, অবসরপ্রাপ্ত ডিটেকটিভ মাসুদুর রহমান, অক্সিলিয়ারি পুলিশ ক্যাপ্টেন সাঈদ আলী।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সার্জেন্ট মেহেদী মামুন ও অফিসার মামুন সর্দার। আরও উপস্থিত ছিলেন সার্জেন্ট হোসাইন, ট্রাফিক সুপারভাইজার অনিক ইসলাম, অফিসার মাকিজ, আহসান, লোকাল ১১৮২–এর কুইন্স-ব্রংকস ডেলিগেট পঙ্কজ রয়সহ সংগঠনটির অন্য সদস্য, ব্রংকস ব্রাদারহুড এবং আমেরিকান বাংলাদেশি ল’এনফোর্সমেন্ট সোসাইটির সদস্যরা।
সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত ডিটেকটিভ রাসিক মালিক।
বৈরী আবহাওয়া স্বত্তেও বিপুলসংখ্যক সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠানটি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, পবিত্র রমজান মাসে জ্যামাইকা ইন্টিগ্রেডেট বাংলাদেশি অফিসার্স নেটওয়ার্কের ইফতার ডিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভালোর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও শাহরিয়ার রহমান বলেন, জ্যামাইকা ও আশেপাশ নেইবারহুডগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি অফিসারদের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কমিউনিটির সাথে সংগঠনটির সম্পর্কের উন্নয়ন তথা সম্প্রীতির বন্ধন কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত সুফল বয়ে আনবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মীর বাশার, রাসিক মালিক, মাসুদুর রহমানসহ আরও অনেকে। তারা শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সংগঠনটির সভাপতি ডেপুটি ইন্সপেক্টর কারাম চৌধুরী জানান, জ্যামাইকা ও তার আশেপাশের এলাকায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বসবাসরত অফিসারদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে জীবনের পথচলা শুরু। সংগঠনটির সদস্যরা ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সর্ম্পক বজায় রাখতে অতীতেও বিভিন্ন সফল উদ্যোগ নিয়েছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় আজকের ইফতার মাহফিলের আয়োজন।
সমাপনী বক্তব্য তিনি উপস্থিত অতিথি, স্বেচ্ছাসেবী ও সহযোগী সকলকে ধন্যবাদ জানান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অন্যতম সংগঠন জ্যামাইকা ইন্টিগ্রেডেট বাংলাদেশি অফিসার্স নেটওয়ার্কের (জীবন) উদ্যোগে বার্ষিক ইফতার ডিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) জ্যামাইকার হিলসাইডে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির সুপরিচিত মুখ ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক লিডার অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।
সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এনওয়াইপিডির ১০৪ প্রিসিঙ্কটের ডেপুটি ইন্সপেক্টর কারাম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র অফিসের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মীর বাশার, ভালোর প্রতিষ্ঠাতা সিইও শাহরিয়ার রহমান, অবসরপ্রাপ্ত ডিটেকটিভ মাসুদুর রহমান, অক্সিলিয়ারি পুলিশ ক্যাপ্টেন সাঈদ আলী।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সার্জেন্ট মেহেদী মামুন ও অফিসার মামুন সর্দার। আরও উপস্থিত ছিলেন সার্জেন্ট হোসাইন, ট্রাফিক সুপারভাইজার অনিক ইসলাম, অফিসার মাকিজ, আহসান, লোকাল ১১৮২–এর কুইন্স-ব্রংকস ডেলিগেট পঙ্কজ রয়সহ সংগঠনটির অন্য সদস্য, ব্রংকস ব্রাদারহুড এবং আমেরিকান বাংলাদেশি ল’এনফোর্সমেন্ট সোসাইটির সদস্যরা।
সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত ডিটেকটিভ রাসিক মালিক।
বৈরী আবহাওয়া স্বত্তেও বিপুলসংখ্যক সদস্য ও অতিথিদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠানটি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, পবিত্র রমজান মাসে জ্যামাইকা ইন্টিগ্রেডেট বাংলাদেশি অফিসার্স নেটওয়ার্কের ইফতার ডিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভালোর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও শাহরিয়ার রহমান বলেন, জ্যামাইকা ও আশেপাশ নেইবারহুডগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি অফিসারদের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কমিউনিটির সাথে সংগঠনটির সম্পর্কের উন্নয়ন তথা সম্প্রীতির বন্ধন কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত সুফল বয়ে আনবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মীর বাশার, রাসিক মালিক, মাসুদুর রহমানসহ আরও অনেকে। তারা শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সংগঠনটির সভাপতি ডেপুটি ইন্সপেক্টর কারাম চৌধুরী জানান, জ্যামাইকা ও তার আশেপাশের এলাকায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বসবাসরত অফিসারদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে জীবনের পথচলা শুরু। সংগঠনটির সদস্যরা ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সর্ম্পক বজায় রাখতে অতীতেও বিভিন্ন সফল উদ্যোগ নিয়েছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় আজকের ইফতার মাহফিলের আয়োজন।
সমাপনী বক্তব্য তিনি উপস্থিত অতিথি, স্বেচ্ছাসেবী ও সহযোগী সকলকে ধন্যবাদ জানান।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।