
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫৫তম বার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তিলাওয়াত, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত প্রামাণ্যচিত্র প্রর্দশন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার তার বক্তব্যের শুরুতে বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী সকল নেতাসহ সম্ভ্রমহারা মা-বোনকে স্মরণ করেন। বিশেষভাবে তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানকে, যিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে অসামান্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে শোষণ ও বৈষম্য দূর করে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। দেশের প্রতিটি অঙ্গনে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অভীষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করা। বিদেশের মাটিতে অবস্থান করেও আমাদের উচিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়া।

রাষ্ট্রদূত বাহরাইন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাহরাইন সরকার প্রবাসীদেরকে নিরাপদ অবস্থানের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাহরাইনের আইন–কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের সকল দিক নির্দেশনা সঠিকভাবে পালন করার জন্য তিনি প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান। বিদেশের মাটিতে যেন নিজ দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় সেই দিকে সকলে লক্ষ্য রাখার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শেষে প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদেরকে দল ও মতের বিবেদ ভুলে একযোগে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য আহবান জানান।
পরিশেষে, বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের সকল পর্যায়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী সকল শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫৫তম বার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তিলাওয়াত, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত প্রামাণ্যচিত্র প্রর্দশন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার তার বক্তব্যের শুরুতে বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী সকল নেতাসহ সম্ভ্রমহারা মা-বোনকে স্মরণ করেন। বিশেষভাবে তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানকে, যিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে অসামান্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে শোষণ ও বৈষম্য দূর করে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। দেশের প্রতিটি অঙ্গনে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অভীষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করা। বিদেশের মাটিতে অবস্থান করেও আমাদের উচিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়া।

রাষ্ট্রদূত বাহরাইন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাহরাইন সরকার প্রবাসীদেরকে নিরাপদ অবস্থানের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাহরাইনের আইন–কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের সকল দিক নির্দেশনা সঠিকভাবে পালন করার জন্য তিনি প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান। বিদেশের মাটিতে যেন নিজ দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয় সেই দিকে সকলে লক্ষ্য রাখার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শেষে প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদেরকে দল ও মতের বিবেদ ভুলে একযোগে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য আহবান জানান।
পরিশেষে, বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের সকল পর্যায়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী সকল শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।