
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপিত হয়েছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো জয়, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এরপর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে দূতাবাসের অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতেই মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে জীবন উৎসর্গকারী সকল সূর্য সন্তান, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের অবস্থা তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে দেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মহান স্বাধীনতার অদম্য চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এ ছাড়াও, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে সতর্ক থাকা এবং স্থানীয় আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পর্শকাতর তথ্য আদান-প্রদান করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য মামুনুর রশিদ ও ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপিত হয়েছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো জয়, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এরপর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে দূতাবাসের অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতেই মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে জীবন উৎসর্গকারী সকল সূর্য সন্তান, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের অবস্থা তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও সততার সঙ্গে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে দেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মহান স্বাধীনতার অদম্য চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এ ছাড়াও, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে সতর্ক থাকা এবং স্থানীয় আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পর্শকাতর তথ্য আদান-প্রদান করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য মামুনুর রশিদ ও ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।