
বিডিজেন ডেস্ক

কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। ফেডারেল উপনির্বাচনে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবারের মতো কানাডার পার্লামেন্টের সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন। গত সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ডলি বেগম লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কনজারভেটিভ পার্টির ডায়ানা ফিলিপোভাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এর আগে তিনি একই এলাকা থেকে অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিপি) এবং প্রাদেশিক এনডিপি দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনে ডলি বেগম ২০ হাজার ১১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ প্রার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ ভোট। ফেডারেল রাজনীতিতে নামার লক্ষ্যে তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রাদেশিক পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে লিবারেল পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি বিল ব্লেয়ারের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

ডলি বেগম ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে মা–বাবার সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান। তার বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা টরন্টোর স্কারবোরো এলাকায়। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি দীর্ঘ সময় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।
২০১৮ সালে প্রথমবার প্রাদেশিক সদস্য (এমপিপি) নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০২২ সালে আবার নির্বাচিত হন। তখন তিনি ছিলেন কানাডার প্রাদেশিক কোনো আইনসভায় নির্বাচিত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি।

কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। ফেডারেল উপনির্বাচনে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবারের মতো কানাডার পার্লামেন্টের সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন। গত সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ডলি বেগম লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কনজারভেটিভ পার্টির ডায়ানা ফিলিপোভাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এর আগে তিনি একই এলাকা থেকে অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিপি) এবং প্রাদেশিক এনডিপি দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনে ডলি বেগম ২০ হাজার ১১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ প্রার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার ৩০০ ভোট। ফেডারেল রাজনীতিতে নামার লক্ষ্যে তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রাদেশিক পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে লিবারেল পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি বিল ব্লেয়ারের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

ডলি বেগম ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে মা–বাবার সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান। তার বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা টরন্টোর স্কারবোরো এলাকায়। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি দীর্ঘ সময় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।
২০১৮ সালে প্রথমবার প্রাদেশিক সদস্য (এমপিপি) নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০২২ সালে আবার নির্বাচিত হন। তখন তিনি ছিলেন কানাডার প্রাদেশিক কোনো আইনসভায় নির্বাচিত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীরা রাউন্ডটেবিলে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডার তুতসি গণহত্যার মতো ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়কে স্মরণে রাখা, ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করে তোলার প্রয়োজনীয়তা।
ডলি বেগম লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কনজারভেটিভ পার্টির ডায়ানা ফিলিপোভাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এর আগে তিনি একই এলাকা থেকে অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিপি) এবং প্রাদেশিক এনডিপি দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজকাঠামোর কথা উল্লেখ করে আলবানিজ বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো আমাদের জাতির মূল শক্তি—আমাদের বৈচিত্র্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আমাদের বহুসাংস্কৃতিক সাফল্যের কথাই মনে করিয়ে দেয়।’
অনুষ্ঠানে আব্দুল মুকিত মজুমদারকে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।