
বিডিজেন ডেস্ক

আগামী ২৬ ও ২৭ অক্টোবর পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কানেক্ট বাংলাদেশের ষষ্ঠ সম্মেলন। প্রবাসীদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ সংগঠনটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছে।
কানেক্ট বাংলাদেশের এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
কানেক্ট বাংলাদেশ দেড় কোটি প্রবাসীদের দাবি ও অধিকার আদায়ের একটি নির্দলীয় সংগঠন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যমত ও যৌথ নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে।
এই সংগঠনের প্রথম সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে, দ্বিতীয় সম্মেলন জার্মানির ফ্রাংকফুট, তৃতীয় সম্মেলন রোমের ইতালিতে, চতুর্থ সম্মেলন স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম সম্মেলন ভার্চুয়ালি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
ষষ্ঠ সম্মেলন পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়ালি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপ সময় দুপুরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সদস্যরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন।
সংগঠনের সদস্যরা দেশ বিদেশের নেতৃত্ব স্থানীয় সব প্রবাসীদের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান করেন।

আগামী ২৬ ও ২৭ অক্টোবর পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কানেক্ট বাংলাদেশের ষষ্ঠ সম্মেলন। প্রবাসীদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ সংগঠনটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছে।
কানেক্ট বাংলাদেশের এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
কানেক্ট বাংলাদেশ দেড় কোটি প্রবাসীদের দাবি ও অধিকার আদায়ের একটি নির্দলীয় সংগঠন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যমত ও যৌথ নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে।
এই সংগঠনের প্রথম সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে, দ্বিতীয় সম্মেলন জার্মানির ফ্রাংকফুট, তৃতীয় সম্মেলন রোমের ইতালিতে, চতুর্থ সম্মেলন স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম সম্মেলন ভার্চুয়ালি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
ষষ্ঠ সম্মেলন পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে রোববার ভার্চুয়ালি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপ সময় দুপুরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সদস্যরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন।
সংগঠনের সদস্যরা দেশ বিদেশের নেতৃত্ব স্থানীয় সব প্রবাসীদের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান করেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।