
বিডিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী (১-৫ আগস্ট) আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর শুভ উদ্ভোধন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গন ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।

গত শুক্রবার (১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই সময় জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদ এবং ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে নির্মিত পোস্টারসমূহ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর মিশনের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচকেরা জুলাই-আগস্ট পুনর্জাগরণে ছাত্র-জনতার ভূমিকার স্মৃতিচারণ করেন। আলোচকেরা তাদের বক্তব্যে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী গণঅভ্যুথান বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে বলে হাইকমিশনার মন্তব্য করেন। তিনি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অনুরোধ করেন।

আলোচনা শেষে ২৪–এর জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যবর্গ অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী (১-৫ আগস্ট) আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর শুভ উদ্ভোধন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গন ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।

গত শুক্রবার (১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই সময় জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদ এবং ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে নির্মিত পোস্টারসমূহ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর মিশনের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচকেরা জুলাই-আগস্ট পুনর্জাগরণে ছাত্র-জনতার ভূমিকার স্মৃতিচারণ করেন। আলোচকেরা তাদের বক্তব্যে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী গণঅভ্যুথান বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে বলে হাইকমিশনার মন্তব্য করেন। তিনি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অনুরোধ করেন।

আলোচনা শেষে ২৪–এর জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যবর্গ অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।