
অজন্তা চৌধুরী, টরন্টো, কানাডা

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোয় জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচকে প্রেজেন্ট নিউ ইয়ারস ইভ সেলেব্রেশন ২০২৬।
গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাইটন কনভেনশনে এই সেলেব্রেশন আয়োজন করা হয়।
প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ বৈরী আবহাওয়াকে পেছনে ফেলে মিলনায়তনে উপস্থিত হন পরিবার ও কাছের মানুষদের নিয়ে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মাস দেড়েক আগেই এই অনুষ্ঠানের সকল টিকিট অতিথিরা কিনে নেন এবং অপেক্ষা করতে থাকেন সেই কাংখিত সন্ধ্যার।

আয়োজনে অতিথিদের ম্যাঙ্গো শেক দিয়ে স্বাগত জানানো হয় এবং এর পরপরই মুখরোচক অ্যাপিটাইজার আর গরম চা–কফি খেতে খেতে সবাই কুশল বিনিময় করে আসন গ্রহণ করেন।
নির্ধারিত সময়েই শুরু হয়ে যায় বিরতিহীন বিনোদনের একটি পর একটি পর্ব।
ফাবিয়া খান অনুষ্ঠানের প্রথমে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং বাবা হাকিম খানকে আমন্ত্রণ জানান।
আয়োজক হাকিম খান পৃষ্ঠপোষক, অতিথি ও আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সঞ্চালিকা অজন্তা চৌধুরীকে দায়িত্ব অর্পণ করেন অনুষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য। তার সাবলীল প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় শুরু হয় অনুষ্ঠান।

প্রথমেই সংগীত পরিবেশন করেন টরন্টোর সুপরিচিত গায়িকা ফারহানা চৌধুরী লিমা। এরপরে মঞ্চ আলোকিত করেন টরন্টোর জনপ্রিয় গায়ক তপু। তিনি গান গাইতে গাইতে দর্শকদের মাঝে থেকে মঞ্চে আসেন। শুরু হয় একের পর এক বিভিন্ন দশকের জনপ্রিয় বাংলা গানের পরিবেশনা। দর্শক শিল্পীর কাছাকাছি চলে আসেন এবং কণ্ঠ মেলান শিল্পীর গানের সঙ্গে। একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক তপু সুরের মুগ্ধতা ছড়ান, যার রেশ রয়ে যায় অনুষ্ঠানের বাকি অংশেও। শব্দ নিয়ন্ত্রণ ও প্রক্ষেপণে ডেনফোর্থ সাউন্ড বরাবরের মতো দক্ষতার পরিচয় দেয়।

গানের পরে টরন্টোর জনপ্রিয় নৃত্যজুটি নাহিদ নাসরিন নয়ন ও তাপস দেবের যুগল ও সমবেত পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্ম যুক্ত হয়ে তাদের নৃত্য পরিবেশনা সমৃদ্ধ করেছে। থার্টি ফাস্টের আমেজে তাদের আধুনিক ও হিপহপ নৃত্যায়োজন বিশেষভাবে সুনাম অর্জন করেছে।

এরপরে স্কারলেটের আগুন নিয়ে নানা ধরনের খেলা পুরো মিলনায়তনে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে জনপ্রিয় বাংলা গানের সাথে ভিন দেশি একজনের ছন্দ মিলিয়ে আগুন নিয়ে খেলা ও নৃত্য সবাইকে মুগ্ধ করে।

ঘড়ির কাটা যখন সাড়ে ৯টা ঠিক তখন শুরু হয় নৈশভোজের পালা। অত্যন্ত সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবারের এক বিশাল সমাহার ছিল ডিনার টেবিলে। ডিনারের মাঝেই রাফেল ড্রয়ের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের তালিকায় ছিল ল্যাপটপ, আপেল ওয়াচ, কম্পিউটার ডেস্ক ও দুটি বুটিকের সৌজন্যে পোশাক। এ ছাড়া, প্রতিটি বাচ্চাকে গিফট বক্স দেওয়া হয়। খাবারের সময় হঠাৎ করেই ঘোষণা করা হয় অতিথিদের চেয়ারের নিচে ১০টি টিম হর্টনের ১০ ডলার থেকে ৫০ ও ২৫০ মূল্যমানের কার্ড রাখা আছে। খাবারের মাঝেই সবাই ব্যস্ত হয়ে চেয়ারের নিচে খুঁজে নেন সেই দশটি গিফট কার্ড।

পুরো নৈশভোজজুড়ে ছিল অন্য মাত্রায় অনেক ভালো লাগার ভায়োলিনের সুরের জাদুকরি মূর্ছনা। পুরো মঞ্চজুড়ে ভায়োলিনের অসাধারণ পরিবেশনায় অতিথিরা নৈশভোজ শেষ করেন। নৈশভোজের পর অতিথিরা তৈরি হয়ে যান শ্বাসরুদ্ধকর সার্কাসের নানা কসরত দেখার জন্য। মিলনায়তনের মধ্যেই ওপর থেকে রশি বেয়ে নেমে নানা রকম নান্দনিক ক্রীড়াশৈলি প্রদর্শন করে সবাইকে চমকে দেন সার্কাসের দক্ষ শিল্পীরা। এরপর মিষ্টান্ন খেতে খেতে সবাই তৈরি হয়ে নেন ২০২৬ সালকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আর এসময় ডিজে রিকেলের সঙ্গে সবাইকে অবাক করে দিয়ে লেজার রোবট চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ড্যান্সফ্লোরে তখন সব বয়সের অতিথিরা চলে আসেন, হাতে হাতে গ্লো স্টিক পৌঁছে যায় সবার কাছে। কাউন্টডাউনের সঙ্গে বরণ করে নেওয়া হয় ২০২৬ সালের প্রথম ক্ষণকে। পরিবার ও প্রিয়জনকে কাছে নিয়ে সবাই নতুন বছরের জন্য শুভ কামনা জানাতে থাকে।

মধ্যরাতে খাবারের শেষ আয়োজনটি ছিল আরও একটি বিশেষ চমক যেখানে সবাই ভিড় জমান মিডনাইট স্নাক্সকে ঘিরে। আয়োজনের প্রতিটি পর্বের অসাধারণ গ্রাফিকসের স্লাইড তৈরি করেছে টরন্টোর সুপরিচিত নন্দন টিভির সিইও নীল উৎপল। আয়োজনে দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেন আলোকচিত্রশিল্পী দীপক সূত্রধর।

আয়োজক রিয়েলটর হাকিম খান এবং রিয়েলটর ও ব্রোকার ফারাহ খান দম্পতির আন্তরিকতায় অতিথিরা একটি বর্ণাঢ্য, জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের সাক্ষী হয়ে রইলেন। পরবর্তী আয়োজনের অপেক্ষায় মুগ্ধতা নিয়ে বাড়ি ফেরেন সবাই। আয়োজকের কাছে থেকে জানা যায় থার্টি ফার্স্টের এই সন্ধ্যাটি পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্য এমনভাবে সাজানো হয় যেখানে বিদ্যমান ছিল মানসম্পন্ন পর্বের এক অসাধারণ সংমিশ্রণ। প্রতি বছর ভিন্নতা নিয়ে এই আয়োজনটি সবাইকে মুগ্ধ করে। আর তাইতো প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে এইচকে প্রেজেন্ট নিউ ইয়ারস ইভ সেলেব্রেশন ২০২৬।

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোয় জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচকে প্রেজেন্ট নিউ ইয়ারস ইভ সেলেব্রেশন ২০২৬।
গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাইটন কনভেনশনে এই সেলেব্রেশন আয়োজন করা হয়।
প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ বৈরী আবহাওয়াকে পেছনে ফেলে মিলনায়তনে উপস্থিত হন পরিবার ও কাছের মানুষদের নিয়ে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মাস দেড়েক আগেই এই অনুষ্ঠানের সকল টিকিট অতিথিরা কিনে নেন এবং অপেক্ষা করতে থাকেন সেই কাংখিত সন্ধ্যার।

আয়োজনে অতিথিদের ম্যাঙ্গো শেক দিয়ে স্বাগত জানানো হয় এবং এর পরপরই মুখরোচক অ্যাপিটাইজার আর গরম চা–কফি খেতে খেতে সবাই কুশল বিনিময় করে আসন গ্রহণ করেন।
নির্ধারিত সময়েই শুরু হয়ে যায় বিরতিহীন বিনোদনের একটি পর একটি পর্ব।
ফাবিয়া খান অনুষ্ঠানের প্রথমে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং বাবা হাকিম খানকে আমন্ত্রণ জানান।
আয়োজক হাকিম খান পৃষ্ঠপোষক, অতিথি ও আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সঞ্চালিকা অজন্তা চৌধুরীকে দায়িত্ব অর্পণ করেন অনুষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য। তার সাবলীল প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় শুরু হয় অনুষ্ঠান।

প্রথমেই সংগীত পরিবেশন করেন টরন্টোর সুপরিচিত গায়িকা ফারহানা চৌধুরী লিমা। এরপরে মঞ্চ আলোকিত করেন টরন্টোর জনপ্রিয় গায়ক তপু। তিনি গান গাইতে গাইতে দর্শকদের মাঝে থেকে মঞ্চে আসেন। শুরু হয় একের পর এক বিভিন্ন দশকের জনপ্রিয় বাংলা গানের পরিবেশনা। দর্শক শিল্পীর কাছাকাছি চলে আসেন এবং কণ্ঠ মেলান শিল্পীর গানের সঙ্গে। একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক তপু সুরের মুগ্ধতা ছড়ান, যার রেশ রয়ে যায় অনুষ্ঠানের বাকি অংশেও। শব্দ নিয়ন্ত্রণ ও প্রক্ষেপণে ডেনফোর্থ সাউন্ড বরাবরের মতো দক্ষতার পরিচয় দেয়।

গানের পরে টরন্টোর জনপ্রিয় নৃত্যজুটি নাহিদ নাসরিন নয়ন ও তাপস দেবের যুগল ও সমবেত পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্ম যুক্ত হয়ে তাদের নৃত্য পরিবেশনা সমৃদ্ধ করেছে। থার্টি ফাস্টের আমেজে তাদের আধুনিক ও হিপহপ নৃত্যায়োজন বিশেষভাবে সুনাম অর্জন করেছে।

এরপরে স্কারলেটের আগুন নিয়ে নানা ধরনের খেলা পুরো মিলনায়তনে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে জনপ্রিয় বাংলা গানের সাথে ভিন দেশি একজনের ছন্দ মিলিয়ে আগুন নিয়ে খেলা ও নৃত্য সবাইকে মুগ্ধ করে।

ঘড়ির কাটা যখন সাড়ে ৯টা ঠিক তখন শুরু হয় নৈশভোজের পালা। অত্যন্ত সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবারের এক বিশাল সমাহার ছিল ডিনার টেবিলে। ডিনারের মাঝেই রাফেল ড্রয়ের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের তালিকায় ছিল ল্যাপটপ, আপেল ওয়াচ, কম্পিউটার ডেস্ক ও দুটি বুটিকের সৌজন্যে পোশাক। এ ছাড়া, প্রতিটি বাচ্চাকে গিফট বক্স দেওয়া হয়। খাবারের সময় হঠাৎ করেই ঘোষণা করা হয় অতিথিদের চেয়ারের নিচে ১০টি টিম হর্টনের ১০ ডলার থেকে ৫০ ও ২৫০ মূল্যমানের কার্ড রাখা আছে। খাবারের মাঝেই সবাই ব্যস্ত হয়ে চেয়ারের নিচে খুঁজে নেন সেই দশটি গিফট কার্ড।

পুরো নৈশভোজজুড়ে ছিল অন্য মাত্রায় অনেক ভালো লাগার ভায়োলিনের সুরের জাদুকরি মূর্ছনা। পুরো মঞ্চজুড়ে ভায়োলিনের অসাধারণ পরিবেশনায় অতিথিরা নৈশভোজ শেষ করেন। নৈশভোজের পর অতিথিরা তৈরি হয়ে যান শ্বাসরুদ্ধকর সার্কাসের নানা কসরত দেখার জন্য। মিলনায়তনের মধ্যেই ওপর থেকে রশি বেয়ে নেমে নানা রকম নান্দনিক ক্রীড়াশৈলি প্রদর্শন করে সবাইকে চমকে দেন সার্কাসের দক্ষ শিল্পীরা। এরপর মিষ্টান্ন খেতে খেতে সবাই তৈরি হয়ে নেন ২০২৬ সালকে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আর এসময় ডিজে রিকেলের সঙ্গে সবাইকে অবাক করে দিয়ে লেজার রোবট চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ড্যান্সফ্লোরে তখন সব বয়সের অতিথিরা চলে আসেন, হাতে হাতে গ্লো স্টিক পৌঁছে যায় সবার কাছে। কাউন্টডাউনের সঙ্গে বরণ করে নেওয়া হয় ২০২৬ সালের প্রথম ক্ষণকে। পরিবার ও প্রিয়জনকে কাছে নিয়ে সবাই নতুন বছরের জন্য শুভ কামনা জানাতে থাকে।

মধ্যরাতে খাবারের শেষ আয়োজনটি ছিল আরও একটি বিশেষ চমক যেখানে সবাই ভিড় জমান মিডনাইট স্নাক্সকে ঘিরে। আয়োজনের প্রতিটি পর্বের অসাধারণ গ্রাফিকসের স্লাইড তৈরি করেছে টরন্টোর সুপরিচিত নন্দন টিভির সিইও নীল উৎপল। আয়োজনে দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেন আলোকচিত্রশিল্পী দীপক সূত্রধর।

আয়োজক রিয়েলটর হাকিম খান এবং রিয়েলটর ও ব্রোকার ফারাহ খান দম্পতির আন্তরিকতায় অতিথিরা একটি বর্ণাঢ্য, জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের সাক্ষী হয়ে রইলেন। পরবর্তী আয়োজনের অপেক্ষায় মুগ্ধতা নিয়ে বাড়ি ফেরেন সবাই। আয়োজকের কাছে থেকে জানা যায় থার্টি ফার্স্টের এই সন্ধ্যাটি পরিবার ও কাছের মানুষদের জন্য এমনভাবে সাজানো হয় যেখানে বিদ্যমান ছিল মানসম্পন্ন পর্বের এক অসাধারণ সংমিশ্রণ। প্রতি বছর ভিন্নতা নিয়ে এই আয়োজনটি সবাইকে মুগ্ধ করে। আর তাইতো প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে এইচকে প্রেজেন্ট নিউ ইয়ারস ইভ সেলেব্রেশন ২০২৬।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে