
বিডিজেন ডেস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন দূতাবাস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বর্ণিল আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আঙ্কারার ইউকে স্কুলে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এটি ছিল একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বাংলাদেশ দুতাবাস কর্তৃক দ্বিতীয় আয়োজন।
তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ উপলক্ষে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার স্থাপন করে। একটি শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে ইউজে স্কুল অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীর সামনে রাষ্ট্রদূত এবং স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন সকল ভাষাশহিদ ও ভাষা অন্দোলনের সৈনিকদের।

তিনি বলেন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ভাষা শহিদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, শোকের ও গৌরবের এই দিনটিকে জাতিসংঘ ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। যা বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অসামান্য অর্জন।

পরে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক কোরের পক্ষ থেকে কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিভিন্ন দূতাবাস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বর্ণিল আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আঙ্কারার ইউকে স্কুলে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এটি ছিল একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বাংলাদেশ দুতাবাস কর্তৃক দ্বিতীয় আয়োজন।
তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ উপলক্ষে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার স্থাপন করে। একটি শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে ইউজে স্কুল অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীর সামনে রাষ্ট্রদূত এবং স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন সকল ভাষাশহিদ ও ভাষা অন্দোলনের সৈনিকদের।

তিনি বলেন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ভাষা শহিদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, শোকের ও গৌরবের এই দিনটিকে জাতিসংঘ ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। যা বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অসামান্য অর্জন।

পরে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক কোরের পক্ষ থেকে কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে