

রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মহান বিজয়ের দিবস উপলক্ষে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে লিজেন্ড গ্লোবাল প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনির্ভাসিটির (এপিইউ) টেকনোলজি পার্ক মাঠে এই প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মালয়েশিয়ার ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাইপর্বের মাধ্যমে নির্বাচিত একজন করে খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন।
ক্রিকেট ম্যাচে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য ও বিদেশি অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মদানকারী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও বিজয় দিবস উপলক্ষে এই ম্যাচের আয়োজন করে বিএসওএম।

ম্যাচে মুখোমুখি হয় গালিবের নেতৃত্বে লাল একাদশ ও ফারহানের নেতৃত্বে সবুজ একাদশ। আসিফের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৭৬ রানের হাফ-সেঞ্চুরির সুবাদে সবুজ একাদশ ৪৩ রানের ব্যবধানে লাল একাদশকে পরাজিত করে। লাল দলের পক্ষে গালিব ১৯ রানে ২ উইকেট নেন। অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন ফারহান।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসওএমের উপদেষ্টা শরিফুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জাকারিয়া হোসাইন, তোফাজ্জল হোসাইন, ফাওয়াজ রহমান ও আদিবা আহমেদ।
ম্যাচ আয়োজন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন আসিফ রহমান, সাকিব মিয়া ও মুত্তাকিন।
এ সময় বিএসওএম সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বি আয়োজক কমিটি ও পৃষ্ঠপোষক লিজেন্ড গ্লোবালকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “খেলাধুলার মাধ্যমে সবাইকে একত্রিত করা যায়। এমন আয়োজন প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (বিএসওএম) ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রবাসে বাংলাদেশের শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ঐক্যকে এগিয়ে নিতে শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

মহান বিজয়ের দিবস উপলক্ষে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে লিজেন্ড গ্লোবাল প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনির্ভাসিটির (এপিইউ) টেকনোলজি পার্ক মাঠে এই প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মালয়েশিয়ার ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাইপর্বের মাধ্যমে নির্বাচিত একজন করে খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন।
ক্রিকেট ম্যাচে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য ও বিদেশি অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মদানকারী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও দেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও বিজয় দিবস উপলক্ষে এই ম্যাচের আয়োজন করে বিএসওএম।

ম্যাচে মুখোমুখি হয় গালিবের নেতৃত্বে লাল একাদশ ও ফারহানের নেতৃত্বে সবুজ একাদশ। আসিফের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৭৬ রানের হাফ-সেঞ্চুরির সুবাদে সবুজ একাদশ ৪৩ রানের ব্যবধানে লাল একাদশকে পরাজিত করে। লাল দলের পক্ষে গালিব ১৯ রানে ২ উইকেট নেন। অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন ফারহান।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসওএমের উপদেষ্টা শরিফুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জাকারিয়া হোসাইন, তোফাজ্জল হোসাইন, ফাওয়াজ রহমান ও আদিবা আহমেদ।
ম্যাচ আয়োজন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন আসিফ রহমান, সাকিব মিয়া ও মুত্তাকিন।
এ সময় বিএসওএম সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বি আয়োজক কমিটি ও পৃষ্ঠপোষক লিজেন্ড গ্লোবালকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “খেলাধুলার মাধ্যমে সবাইকে একত্রিত করা যায়। এমন আয়োজন প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া (বিএসওএম) ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রবাসে বাংলাদেশের শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ঐক্যকে এগিয়ে নিতে শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।