
বকুল খান, মাদ্রিদ, স্পেন
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানী মাদ্রিদে অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের হলরুমে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে হরেক রকম বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির আয়োজন ছিল মনোমুগ্ধকর। এর সার্বিক সহযোগিতা ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের নারী সদস্যরা।
আয়োজনে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন। কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রবাসী নতুন প্রজন্মদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফিজ জহির উদ্দিন।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল মামুনের সভাপতিত্বে ও মুরাদ মজুমদারের সার্বিক পরিচালনায় দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম মজুমদার।
পরে স্থানীয় শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।
নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের উদ্যোগে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানী মাদ্রিদে অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের হলরুমে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে হরেক রকম বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির আয়োজন ছিল মনোমুগ্ধকর। এর সার্বিক সহযোগিতা ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের নারী সদস্যরা।
আয়োজনে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশগ্রহণ করেন। কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রবাসী নতুন প্রজন্মদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন তিলাওয়াত করেন হাফিজ জহির উদ্দিন।
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল মামুনের সভাপতিত্বে ও মুরাদ মজুমদারের সার্বিক পরিচালনায় দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম মজুমদার।
পরে স্থানীয় শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।
নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।