
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দধারা আর্টস নিয়মিত চর্চা ও নানা আয়োজন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলো উদ্যাপনের ক্ষেত্রে আনন্দধারা আর্টসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যবারের মতো এবারেও স্বাধীনতা দিবসে আনন্দধারা আর্টসের আয়োজন দর্শক শ্রোতাদের অকুন্ঠ ভালোবাসা কুড়িয়েছে।
আনন্দধারা আর্টসের এবারের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন অন্যবারের আয়োজন থেকে অনেকটা ভিন্ন ও উল্লেখযোগ্য। এবারের আয়োজনের শিরোনাম ছিল ‘অশ্রুত একাত্তর : বিদেশি শিল্পীদের গান।’ স্বনামধন্য লেখক, অধ্যাপক শাহাদুজ্জামানের গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় এবং আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক প্রতিথযশা সংগীতশিল্পী ডা. ইমতিয়াজ আহমেদের সংগীত পরিচালনায় এই আয়োজন ছিল অনবদ্য। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের সমবেত কন্ঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুটি গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের সূচনায় আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, "আজকের এই আয়োজনে আমরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত মুক্তি সংগ্রামী, বীর যোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের সাথে সংযুক্ত পৃথিবীর নানা প্রান্তের শিল্পী, লেখক, কবি, সাধারণ মানুষ যারা নিরবিচ্ছিন্নভাবে সে সময়ে আমাদের সাহস, শক্তি ও অর্থ যুগিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাতে চাই।"
এ ছাড়া, শাহাদুজ্জামান তার ভাষ্যে বলেন, "এই সময়ে এসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরা জরুরি। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস তুলে আনাটা ভীষণ জরুরি।"
আয়োজনে আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীদের সমবেত পরিবেশনা ছিল উল্লেখ্য করার মতো। এ ছাড়া একক কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন—উর্বি মধুরা, পূর্বা অধরা, আর্থিকা সাহা, ঈশিতা সাহা, কাজল সরকার ও ইমতিয়াজ আহমেদ। অমিত দের পরিবেশনায় আর ডি বর্মনের গানের সাথে আবৃত্তি করেন সমর সাহা।

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত বিদেশি শিল্পীদের নানা অশ্রুত গান পরিবেশিত হয়েছে এই আয়োজনে। তাদের মধ্যে জোয়ান বায়েজ, জর্জ হ্যারিসন, রবি শঙ্কর, দেবব্রত বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, আর ডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অ্যালেন গিনসবার্গ, বব ডিলান, অনিল রায়, দীপেন মুখোপাধ্যায়, অংশুমান রায়, সরদার আলাউদ্দীন, সন্ধ্যা মুখার্জির নাম উল্লেখযোগ্য।
অনবদ্য এই আয়োজনের অন্যতম বিষয় ছিল গানগুলোর সাথে উপস্থাপিত তথ্য, ইতিহাস ও কথন। লেখক অধ্যাপক শাহাদুজ্জামানের উপস্থাপনা শ্রোতা দর্শকদের উজ্জীবিত করেছে।
অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন।
স্বাধীনতা দিবসে আনন্দধারা আর্টসের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন শেষ করে দর্শক–শ্রোতারা বাড়ি ফিরেছেন গান, সুর, মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাসের রেশ সাথে নিয়ে। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দধারা আর্টস নিয়মিত চর্চা ও নানা আয়োজন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলো উদ্যাপনের ক্ষেত্রে আনন্দধারা আর্টসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যবারের মতো এবারেও স্বাধীনতা দিবসে আনন্দধারা আর্টসের আয়োজন দর্শক শ্রোতাদের অকুন্ঠ ভালোবাসা কুড়িয়েছে।
আনন্দধারা আর্টসের এবারের স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন অন্যবারের আয়োজন থেকে অনেকটা ভিন্ন ও উল্লেখযোগ্য। এবারের আয়োজনের শিরোনাম ছিল ‘অশ্রুত একাত্তর : বিদেশি শিল্পীদের গান।’ স্বনামধন্য লেখক, অধ্যাপক শাহাদুজ্জামানের গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় এবং আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক প্রতিথযশা সংগীতশিল্পী ডা. ইমতিয়াজ আহমেদের সংগীত পরিচালনায় এই আয়োজন ছিল অনবদ্য। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের সমবেত কন্ঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুটি গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের সূচনায় আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, "আজকের এই আয়োজনে আমরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত মুক্তি সংগ্রামী, বীর যোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের সাথে সংযুক্ত পৃথিবীর নানা প্রান্তের শিল্পী, লেখক, কবি, সাধারণ মানুষ যারা নিরবিচ্ছিন্নভাবে সে সময়ে আমাদের সাহস, শক্তি ও অর্থ যুগিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাতে চাই।"
এ ছাড়া, শাহাদুজ্জামান তার ভাষ্যে বলেন, "এই সময়ে এসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরা জরুরি। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস তুলে আনাটা ভীষণ জরুরি।"
আয়োজনে আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীদের সমবেত পরিবেশনা ছিল উল্লেখ্য করার মতো। এ ছাড়া একক কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন—উর্বি মধুরা, পূর্বা অধরা, আর্থিকা সাহা, ঈশিতা সাহা, কাজল সরকার ও ইমতিয়াজ আহমেদ। অমিত দের পরিবেশনায় আর ডি বর্মনের গানের সাথে আবৃত্তি করেন সমর সাহা।

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত বিদেশি শিল্পীদের নানা অশ্রুত গান পরিবেশিত হয়েছে এই আয়োজনে। তাদের মধ্যে জোয়ান বায়েজ, জর্জ হ্যারিসন, রবি শঙ্কর, দেবব্রত বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, আর ডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অ্যালেন গিনসবার্গ, বব ডিলান, অনিল রায়, দীপেন মুখোপাধ্যায়, অংশুমান রায়, সরদার আলাউদ্দীন, সন্ধ্যা মুখার্জির নাম উল্লেখযোগ্য।
অনবদ্য এই আয়োজনের অন্যতম বিষয় ছিল গানগুলোর সাথে উপস্থাপিত তথ্য, ইতিহাস ও কথন। লেখক অধ্যাপক শাহাদুজ্জামানের উপস্থাপনা শ্রোতা দর্শকদের উজ্জীবিত করেছে।
অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন।
স্বাধীনতা দিবসে আনন্দধারা আর্টসের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন শেষ করে দর্শক–শ্রোতারা বাড়ি ফিরেছেন গান, সুর, মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাসের রেশ সাথে নিয়ে। বিজ্ঞপ্তি
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশে ফিরে গিয়েও শাহাবুদ্দিন শুভ তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন।
মো. মেহেদী হাসান এনটিইউসি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স সেন্টারকে (এমডব্লিউসি) সক্রিয়ভাবে সমর্থন করার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের কাছে তিনি নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিয়মিতভাবে সহকর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এমডব্লিউসির সদস্যপদ অভিবাসী কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে উপকার করবে।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।