
প্রতিনিধি, আবুধাবি

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নরওয়েপ্রবাসী মোহাম্মদ সাঈদ উদ্দিনের ওপর হামলায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস)।
এক বিবৃতিতে এই ঘটনা প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে সংগঠনটি অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত করার এবং দোষীদের দায়ী করে উপযুক্ত বিচারের আহ্বান জানিয়েছে। এর পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের শারীরিক ও মানসিক আঘাতের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনটি প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, ভুক্তভোগীদের জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং প্রবাসীদের সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে সমর্থন করা।
বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুল মান্নান, সহ সভাপতি নাসিম উদ্দিন আকাশ, মোহাম্মদ ছালা উদ্দিন, মঈনুল ইসলাম শামীম, মাহবুব সরকার, ওবায়দুল হক মানিক, নুরুল্লাহ খান শাহাজাহান ও মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ স্বাক্ষর করেছেন।
উল্লেথ্য, বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের ৪ জন এবং বাংলাদেশের ১ নাগরিককে হেনস্তা করা হয়। এর মধ্যে নরওয়ের ১ জনকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নরওয়েপ্রবাসী মোহাম্মদ সাঈদ উদ্দিনের ওপর হামলায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস)।
এক বিবৃতিতে এই ঘটনা প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে সংগঠনটি অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত করার এবং দোষীদের দায়ী করে উপযুক্ত বিচারের আহ্বান জানিয়েছে। এর পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের শারীরিক ও মানসিক আঘাতের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনটি প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, ভুক্তভোগীদের জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং প্রবাসীদের সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পক্ষে সমর্থন করা।
বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুল মান্নান, সহ সভাপতি নাসিম উদ্দিন আকাশ, মোহাম্মদ ছালা উদ্দিন, মঈনুল ইসলাম শামীম, মাহবুব সরকার, ওবায়দুল হক মানিক, নুরুল্লাহ খান শাহাজাহান ও মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ স্বাক্ষর করেছেন।
উল্লেথ্য, বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের ৪ জন এবং বাংলাদেশের ১ নাগরিককে হেনস্তা করা হয়। এর মধ্যে নরওয়ের ১ জনকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। বিমানবাহিনীর কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
১ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
২ দিন আগে