

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

প্রথম দেখাতে ঢাকার ইফতার বাজার মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। যেখানে রীতিমতো হাঁকডাক দিয়ে চলছে ইফতার বেচাকেনা। জ্বলন্ত উনুনে ভাজা হচ্ছে গরম গরম জিলেপি, সাথে আছে মামা হালিম আর হাজী বিরিয়ানি। বছর ঘুরে রমজান মাস এলে লাকেম্বাও গম গম করে বাঙালিদের পদভারে।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে পবিত্র রমজান উপলক্ষে আবারও শুরু হয়েছে জনপ্রিয় বহুসাংস্কৃতিক উৎসব লাকেম্বা নাইটস ডিউরিং রামাদান। প্রতি বছর হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জমে ওঠা এই উৎসবে বিশ্বের নানা দেশের খাবার ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলা দেখা যায়।
সিডনির বাংলাদেশি অধ্যুষিত লাকেম্বা এলাকার হ্যালডন স্ট্রিট রমজান মাসজুড়ে রূপ নিয়েছে এক প্রাণবন্ত আন্তর্জাতিক খাবারের বাজারে। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত চলছে এই আয়োজন।
প্রায় ৬০টিরও বেশি খাবারের স্টলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ।
এখানকার খাবারের মধ্যে রয়েছে উটের মাংসের বার্গার, রুটি ও শিক কাবাব, সিরিয়ান আইসক্রিম, মোগলাই মুরতাবাক, মধ্যপ্রাচ্যের মিষ্টান্ন কুনাফেহ, ভারতীয় কাবাব শর্মা, কাশ্মীরের চা, তুর্কি কফি, আলুর টর্নেডো চিপস, ফলের শরবত ইত্যাদি। রয়েছে বাংলাদেশি দোকানও, যেখানে পিঁয়াজু, ছোলা, বেগুনি, ঘুগনি, আলুর চপ, জালি কাবাব, হালিম, বিভিন্ন রকম বেসনে ভাজা খাবার, চিকেন ফ্রাই, জিলাপি ও বিভিন্ন রকম মিষ্টি।
২০০৭ সালে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান এখন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহৎ রমজান উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর লক্ষাধিক দর্শনার্থী এখানে সমবেত হন।
শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ই নয়, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষও অংশ নিচ্ছেন এই উৎসবে। ফলে এটি সিডনির বহুসাংস্কৃতিক সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালে এই অনুষ্ঠানটি উদ্ভাবনী ইভেন্ট হিসেবে স্থানীয় সরকার পুরস্কারও অর্জন করেছে।

প্রথম দেখাতে ঢাকার ইফতার বাজার মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। যেখানে রীতিমতো হাঁকডাক দিয়ে চলছে ইফতার বেচাকেনা। জ্বলন্ত উনুনে ভাজা হচ্ছে গরম গরম জিলেপি, সাথে আছে মামা হালিম আর হাজী বিরিয়ানি। বছর ঘুরে রমজান মাস এলে লাকেম্বাও গম গম করে বাঙালিদের পদভারে।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে পবিত্র রমজান উপলক্ষে আবারও শুরু হয়েছে জনপ্রিয় বহুসাংস্কৃতিক উৎসব লাকেম্বা নাইটস ডিউরিং রামাদান। প্রতি বছর হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জমে ওঠা এই উৎসবে বিশ্বের নানা দেশের খাবার ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলা দেখা যায়।
সিডনির বাংলাদেশি অধ্যুষিত লাকেম্বা এলাকার হ্যালডন স্ট্রিট রমজান মাসজুড়ে রূপ নিয়েছে এক প্রাণবন্ত আন্তর্জাতিক খাবারের বাজারে। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত চলছে এই আয়োজন।
প্রায় ৬০টিরও বেশি খাবারের স্টলে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ।
এখানকার খাবারের মধ্যে রয়েছে উটের মাংসের বার্গার, রুটি ও শিক কাবাব, সিরিয়ান আইসক্রিম, মোগলাই মুরতাবাক, মধ্যপ্রাচ্যের মিষ্টান্ন কুনাফেহ, ভারতীয় কাবাব শর্মা, কাশ্মীরের চা, তুর্কি কফি, আলুর টর্নেডো চিপস, ফলের শরবত ইত্যাদি। রয়েছে বাংলাদেশি দোকানও, যেখানে পিঁয়াজু, ছোলা, বেগুনি, ঘুগনি, আলুর চপ, জালি কাবাব, হালিম, বিভিন্ন রকম বেসনে ভাজা খাবার, চিকেন ফ্রাই, জিলাপি ও বিভিন্ন রকম মিষ্টি।
২০০৭ সালে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান এখন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহৎ রমজান উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর লক্ষাধিক দর্শনার্থী এখানে সমবেত হন।
শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ই নয়, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষও অংশ নিচ্ছেন এই উৎসবে। ফলে এটি সিডনির বহুসাংস্কৃতিক সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালে এই অনুষ্ঠানটি উদ্ভাবনী ইভেন্ট হিসেবে স্থানীয় সরকার পুরস্কারও অর্জন করেছে।
কনস্যুলার ক্যাম্পে প্রায় ৩০০ জন সেবাগ্রহীতা বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা তথা পাসপোর্ট সেবা, জন্মনিবন্ধন সেবা, বিশেষ আইনগত সেবা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধন সেবা এবং ফ্রি মেডিকেল সেবা গ্রহণ করেন।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা ও তাদের সার্বিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত পয়লা বৈশাখের গুরুত্বও তুলে ধরে বলেন, পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতির নবজাগরণ, আশা এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এটি এমন একটি উৎসব যা সীমানা অতিক্রম এবং আগামী বছরের জন্য ঐক্য, সম্প্রীতি ও আশাবাদের এক অভিন্ন চেতনায় মানুষকে একত্রিত করে।