
বিডিজেন ডেস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দূতাবাসের ‘বিজয় একাত্তর’ মিলনায়তনে আঙ্কারায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলা ও আনন্দোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পর সন্ধ্যায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আঙ্কারায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সর্বস্তরের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত গবেষক, বিশিষ্ট বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, প্রবাসী সাংবাদিক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা।

অতিথিদের আগমনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি মোটিভেশনাল ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. শফিক উদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের পর কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন তুরস্কের সিগমা টার্কি ইনডিপেসপেস্ট রিসার্চ সোসাইটি অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেহমেত দোগান। তিনি বলেন, তুরস্ক ও বাংলাদেশ যৌথ উৎপাদন, পণ্যের মূল্য সংযোজন, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে।

তার বক্তব্য শেষে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচ্য বিষয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পরে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: আমানুল হক প্রধান বক্তা মেহমেত দোগানের হাতে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক বক্তব্যে বলেন, বিজয় দিবস জাতীয় গৌরবের প্রতীক এবং স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন।
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে শোষণমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

পরবর্তীতে মিশনের উদ্যোগে এবং আঙ্কারার অনলাইন বাংলা স্কুলের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘সুন্দর কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৫’ এর ফলাফল ঘোষণা এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিতযশা শিল্পী ও সংগীত পরিচালক নীল কামরুল, কমিউনিটির সদস্য কাজী মহিউদ্দিন তাকি, শৌভিক দাস ও নিশাত নিশি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। এ ছাড়া, দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

শেষে রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রবাসীদের বিজয় দিবসে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশির নৈতিক দায়িত্ব। তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণে দূতাবাস নবউদ্যমে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
নৈশভোজে মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। নৈশভোজে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়ন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দূতাবাসের ‘বিজয় একাত্তর’ মিলনায়তনে আঙ্কারায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলা ও আনন্দোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পর সন্ধ্যায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আঙ্কারায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সর্বস্তরের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত গবেষক, বিশিষ্ট বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, প্রবাসী সাংবাদিক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা।

অতিথিদের আগমনকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি মোটিভেশনাল ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. শফিক উদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের পর কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন তুরস্কের সিগমা টার্কি ইনডিপেসপেস্ট রিসার্চ সোসাইটি অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেহমেত দোগান। তিনি বলেন, তুরস্ক ও বাংলাদেশ যৌথ উৎপাদন, পণ্যের মূল্য সংযোজন, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে।

তার বক্তব্য শেষে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচ্য বিষয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পরে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: আমানুল হক প্রধান বক্তা মেহমেত দোগানের হাতে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক বক্তব্যে বলেন, বিজয় দিবস জাতীয় গৌরবের প্রতীক এবং স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন।
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে শোষণমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

পরবর্তীতে মিশনের উদ্যোগে এবং আঙ্কারার অনলাইন বাংলা স্কুলের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘সুন্দর কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৫’ এর ফলাফল ঘোষণা এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিতযশা শিল্পী ও সংগীত পরিচালক নীল কামরুল, কমিউনিটির সদস্য কাজী মহিউদ্দিন তাকি, শৌভিক দাস ও নিশাত নিশি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। এ ছাড়া, দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

শেষে রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রবাসীদের বিজয় দিবসে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশির নৈতিক দায়িত্ব। তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণে দূতাবাস নবউদ্যমে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
নৈশভোজে মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। নৈশভোজে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়ন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত বিদেশি শিল্পীদের নানা অশ্রুত গান পরিবেশিত হয়েছে এই আয়োজনে। তাদের মধ্যে জোয়ান বায়েজ, জর্জ হ্যারিসন, রবি শঙ্কর, দেবব্রত বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, আর ডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অ্যালেন গিনসবার্গ, বব ডিলান, দীপেন মুখোপাধ্যায় ও অংশুমান রায় উল্লেখযোগ্য।
বৈঠকের শুরুতেই জিলবার্ট হোংবো একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ গণতান্ত্রিক উত্তরণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকারের সঙ্গে আইএলও কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।
বিশ্বজুড়ে নারীরা যখন নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন-তখন এই আয়োজন জানান দিয়েছে, নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি দিনের উদ্যাপন নয় বরং এটি একটি চলমান আন্দোলন। নারীর শক্তি শুধু পরিবার নয়, সমাজ এবং পুরো বিশ্বকে এগিয়ে নেয়। যখন নারীর কণ্ঠ জাগ্রত হয়, তখন জেগে ওঠে নতুন পৃথিবী।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের ওপর আলোকপাত করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত বিদেশি শিল্পীদের নানা অশ্রুত গান পরিবেশিত হয়েছে এই আয়োজনে। তাদের মধ্যে জোয়ান বায়েজ, জর্জ হ্যারিসন, রবি শঙ্কর, দেবব্রত বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, আর ডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, অ্যালেন গিনসবার্গ, বব ডিলান, দীপেন মুখোপাধ্যায় ও অংশুমান রায় উল্লেখযোগ্য।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকের শুরুতেই জিলবার্ট হোংবো একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ গণতান্ত্রিক উত্তরণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকারের সঙ্গে আইএলও কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে