
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস যথাদযাগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে।
২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সকাল ৭টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
এরপর কনসাল জেনারেলসহ কনস্যুলেটের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের প্রতিনিধিরা অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও বাংলা তরজমা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর তথ্য ও প্রকাশনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কমিউনিটি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ আবদুর রহমান, প্রকৌশলী নূরুল আমিন ও খেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী কিসমত প্রমুখ।
কনসাল জেনারেল তার সমাপনী বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চরম আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে আহ্বান জানান। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন স্বাধিকার আন্দোলনে দেশের জন্য আত্নোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও আত্মাহুতির মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, দূর্নীতিমুক্ত ও অন্তর্ভূক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার এক অসাধারণ সুযোগ আমরা পেয়েছি।

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আবদান ও গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা করে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সার্বিক সেবা প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সেই সাথে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বৈধ পথে প্রেরিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, ঠিক তেমনি সৌদি আরবের উন্নয়নেও প্রবাসীদের অবদান অনেক এবং সেই সাথে সৌদি আরবের প্রচলিত আইন, নিয়ম-কানুন ও সামাজিক রীতিনীতি সকল ক্ষেত্রে যথাযথভাবে মেনে চলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল রাখার আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং হজ অফিস, বিমান বাংলাদেশ অফিস ও সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজ (বাংলা/ইংরেজি) শাখার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস যথাদযাগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে।
২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সকাল ৭টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
এরপর কনসাল জেনারেলসহ কনস্যুলেটের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের প্রতিনিধিরা অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও বাংলা তরজমা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর তথ্য ও প্রকাশনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কমিউনিটি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ আবদুর রহমান, প্রকৌশলী নূরুল আমিন ও খেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী কিসমত প্রমুখ।
কনসাল জেনারেল তার সমাপনী বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চরম আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে আহ্বান জানান। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন স্বাধিকার আন্দোলনে দেশের জন্য আত্নোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও আত্মাহুতির মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, দূর্নীতিমুক্ত ও অন্তর্ভূক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার এক অসাধারণ সুযোগ আমরা পেয়েছি।

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আবদান ও গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা করে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে সার্বিক সেবা প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সেই সাথে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বৈধ পথে প্রেরিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, ঠিক তেমনি সৌদি আরবের উন্নয়নেও প্রবাসীদের অবদান অনেক এবং সেই সাথে সৌদি আরবের প্রচলিত আইন, নিয়ম-কানুন ও সামাজিক রীতিনীতি সকল ক্ষেত্রে যথাযথভাবে মেনে চলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল রাখার আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং হজ অফিস, বিমান বাংলাদেশ অফিস ও সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজ (বাংলা/ইংরেজি) শাখার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।