
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের আপার ডার্বিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লালন সন্ধ্যা ২০২৪’ নামে সংগীত ও কবিতার এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা।
২৭ অক্টোবর (রোববার) বলাকার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে লালন সাঁইয়ের বিখ্যাত গান ও দর্শনকে কেন্দ্র করে একটি প্রাণবন্ত সন্ধ্যা উপহার দেন সংগীতশিল্পী নারায়ণ বোস এবং বলাকার শিল্পীরা।
গোষ্ঠী সংগীতে অংশগ্রহণ করেন নারায়ণ বোস, বিজয়া সেনগুপ্তা, রীনা বোস, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাংগ্রী, ঝুমা দাশ, সামসুম মুনিরা কস্তুরী, নার্গিস পারভীন, হেনা হোসেন, গুলশান আরা সাফি, মোহনা বোস গৌরী, মিতু মণ্ডল, মুরাদ হোসেন, ফারুক আহাম্মেদ পলাশ, মোহাম্মদ সেকুল মিয়া, মাসুদুল হাসান সারোয়ার ড্যানিয়েল, হিমাদ্রি হিমু, ত্রিদীপ বিশ্বাস।
তবলায় ছিলেন তপন মোদক।
গানের পাশাপাশি সন্ধ্যায় ছিল কবিতা মজমা শিরোনামে কবিতা পাঠ। যা ছিল বিচ্ছেদ ও অন্তর্মুখী অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে।
এতে আবেগময় কবিতা করেন রুমানা আলম, দিলরুবা আফরোজ রুবা, ফারুক আহাম্মেদ পলাশ, জোহরা খাতুন কলি এবং অভিষেক চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন লালন সন্ধ্যার আহবায়ক মুরাদ হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হাসান সারওয়ার ড্যানিয়েল এবং সদস্য সচিব ফারুক আহাম্মেদ পলাশ।
অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও বিন্যাসে ছিলেন বদরুজ্জামান আলমগীর। তিনি লালন অন্বেষার ওপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
এ ছাড়া, লালনের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রুমানা আলম ও মাসুদুল হাসান সারোয়ার ড্যানিয়েল।
গীত–আলেখ্য উপস্থাপন করেন সামসুম মুনিরা কস্তুরী। এই উপস্থাপনা লালন সন্ধ্যার গভীরতা ও সুরেলা আবহকে আরও সমৃদ্ধ করে।
লালন ফকিরের গান, কবিতার অভিব্যক্তি, আলোচনা ও তথ্যচিত্রের সমন্বয়ে এই সন্ধ্যা ছিল একটি অনন্য সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের আপার ডার্বিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লালন সন্ধ্যা ২০২৪’ নামে সংগীত ও কবিতার এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা।
২৭ অক্টোবর (রোববার) বলাকার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে লালন সাঁইয়ের বিখ্যাত গান ও দর্শনকে কেন্দ্র করে একটি প্রাণবন্ত সন্ধ্যা উপহার দেন সংগীতশিল্পী নারায়ণ বোস এবং বলাকার শিল্পীরা।
গোষ্ঠী সংগীতে অংশগ্রহণ করেন নারায়ণ বোস, বিজয়া সেনগুপ্তা, রীনা বোস, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাংগ্রী, ঝুমা দাশ, সামসুম মুনিরা কস্তুরী, নার্গিস পারভীন, হেনা হোসেন, গুলশান আরা সাফি, মোহনা বোস গৌরী, মিতু মণ্ডল, মুরাদ হোসেন, ফারুক আহাম্মেদ পলাশ, মোহাম্মদ সেকুল মিয়া, মাসুদুল হাসান সারোয়ার ড্যানিয়েল, হিমাদ্রি হিমু, ত্রিদীপ বিশ্বাস।
তবলায় ছিলেন তপন মোদক।
গানের পাশাপাশি সন্ধ্যায় ছিল কবিতা মজমা শিরোনামে কবিতা পাঠ। যা ছিল বিচ্ছেদ ও অন্তর্মুখী অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে।
এতে আবেগময় কবিতা করেন রুমানা আলম, দিলরুবা আফরোজ রুবা, ফারুক আহাম্মেদ পলাশ, জোহরা খাতুন কলি এবং অভিষেক চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন লালন সন্ধ্যার আহবায়ক মুরাদ হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হাসান সারওয়ার ড্যানিয়েল এবং সদস্য সচিব ফারুক আহাম্মেদ পলাশ।
অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও বিন্যাসে ছিলেন বদরুজ্জামান আলমগীর। তিনি লালন অন্বেষার ওপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
এ ছাড়া, লালনের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রুমানা আলম ও মাসুদুল হাসান সারোয়ার ড্যানিয়েল।
গীত–আলেখ্য উপস্থাপন করেন সামসুম মুনিরা কস্তুরী। এই উপস্থাপনা লালন সন্ধ্যার গভীরতা ও সুরেলা আবহকে আরও সমৃদ্ধ করে।
লালন ফকিরের গান, কবিতার অভিব্যক্তি, আলোচনা ও তথ্যচিত্রের সমন্বয়ে এই সন্ধ্যা ছিল একটি অনন্য সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।
আয়োজকেরা জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই জমকালো অনুষ্ঠান। এমএস গোল্ড প্রেজেন্টস সোনালী সন্ধ্যা পাওয়ারড বাই সোনালী জুয়েলস' শিরোনামে আয়োজিত এই কনসার্টে এক মঞ্চে মিলবে গান, নাচ ও লাইভ ডিজে পারফরমেন্সের এক অনন্য সমন্বয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সম্পাদক করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
আলোচনায় সলিমুল্লাহ খান বলেন, বর্তমান আধুনিক জগতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার মতো শিক্ষার পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অতি জরুরি।
কেবল দেশে নয়, এই উৎসব উদ্যাপনে পিছিয়ে নেই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। জীবিকার তাগিদে পরবাসে যেখানেই বাঙালির বসবাস, সেখানেই বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর-‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...।’