বিডিজেন ডেস্ক
উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়া হতে পারে অন্যতম সেরা অপশন। তবে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ কমিয়ে দিয়েছে দেশটি। তবুও একটি বড় অংশ পড়তে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়।
বিনা খরচে পড়ার সুযোগ রয়েছে দেশটিতে। প্রতি বছর স্কলারশিপ দিয়ে থাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এর আওতায় প্রতি বছর দেশি-বিদেশি মিলিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। যদিও এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বৃত্তি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আবেদন করতে পারবেন এ বছরের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রির সুযোগ পাবেন। বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য ২ বছর আর পিএইচডি ডিগ্রির জন্য পাবেন ৩ বছর সময়।
শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ ছাড়াও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে ভাতা হিসেবে বছরে থাকছে ৪৭ হাজার ৩৬৯ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৩৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫২৫ টাকা)। এ ছাড়া সাবসিস্টেন্স ভাতা ও ট্রান্সফার ভাতারও ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা কলা, আইন, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় অর্থনীতির মতো বিষয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ পাবেন। এর বাইরে পড়তে চাইলে আবেদন নেওয়া হবে না। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। এমনকি সেখানে পড়াশোনার খরচ মেটানোর মতো সক্ষমতা দেখাতে হবে। প্রতি বছর নতুন কিছু যোগ্যতা যোগ করা হয়। ওয়েবসাইটে গিয়ে মিলবে এসব তথ্য।
স্নাতকোত্তরে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তর সম্পন্ন শিক্ষার্থী হতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের শেষদিকে এই আবেদন শুরু হয়। তবে এর আওতায় আরও বেশকিছু স্কলারশিপের তথ্য পেয়ে যাবেন আপনি। সেগুলোতে আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন। এ জন্য নিয়মিত ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখতে হবে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বৃত্তি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আবেদন করতে পারবেন এ বছরের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
উচ্চশিক্ষায় অস্ট্রেলিয়া হতে পারে অন্যতম সেরা অপশন। তবে সম্প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ কমিয়ে দিয়েছে দেশটি। তবুও একটি বড় অংশ পড়তে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়।
বিনা খরচে পড়ার সুযোগ রয়েছে দেশটিতে। প্রতি বছর স্কলারশিপ দিয়ে থাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এর আওতায় প্রতি বছর দেশি-বিদেশি মিলিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। যদিও এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বৃত্তি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আবেদন করতে পারবেন এ বছরের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রির সুযোগ পাবেন। বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য ২ বছর আর পিএইচডি ডিগ্রির জন্য পাবেন ৩ বছর সময়।
শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ ছাড়াও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে ভাতা হিসেবে বছরে থাকছে ৪৭ হাজার ৩৬৯ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৩৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫২৫ টাকা)। এ ছাড়া সাবসিস্টেন্স ভাতা ও ট্রান্সফার ভাতারও ব্যবস্থা রয়েছে।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা কলা, আইন, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় অর্থনীতির মতো বিষয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ পাবেন। এর বাইরে পড়তে চাইলে আবেদন নেওয়া হবে না। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। এমনকি সেখানে পড়াশোনার খরচ মেটানোর মতো সক্ষমতা দেখাতে হবে। প্রতি বছর নতুন কিছু যোগ্যতা যোগ করা হয়। ওয়েবসাইটে গিয়ে মিলবে এসব তথ্য।
স্নাতকোত্তরে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তর সম্পন্ন শিক্ষার্থী হতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
প্রতি বছরের শেষদিকে এই আবেদন শুরু হয়। তবে এর আওতায় আরও বেশকিছু স্কলারশিপের তথ্য পেয়ে যাবেন আপনি। সেগুলোতে আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন। এ জন্য নিয়মিত ওয়েবসাইটে খোঁজ রাখতে হবে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বৃত্তি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আবেদন করতে পারবেন এ বছরের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।