বিডিজেন ডেস্ক
বিদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। চেভেনিং স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে দেশটিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্য সরকারের এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রতি শিক্ষাবর্ষে বিশ্বের ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়ে থাকেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের ১৫০টির মধ্যে একটিতে পছন্দের বিষয়ে এক বছরের স্নাতকোত্তর করতে পারবেন। তবে দুয়েক জায়গায় দুই বছর লাগতে পারে। চেভেনিং বৃত্তি ফুল ফান্ডেড। এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের টিউশন ফি দেওয়া হবে। থাকছে মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থাও। এ ছাড়া আসা-যাওয়ার ভ্রমণ ব্যয় বহন করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভিসা আবেদনেও কোনো ধরনের ফি দিতে হবে না।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
চেভেনিং মূলত পেশাজীবীদের বৃত্তি। এ বৃত্তির জন্য দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় (কমপক্ষে ২ হাজার ৮০০ ঘণ্টা)। ছাত্রজীবনে করা কোনো ইন্টার্নশিপ কিংবা পার্টটাইমের অভিজ্ঞতাও তারা কাউন্ট করে। উন্নয়ন সংস্থা, ইয়ুথ ফোরাম, স্বাস্থ্য, আইন পেশায় থাকা লোকজন এবং সরকারি চাকরি—এগুলো থেকে বেশি লোকজন এই বৃত্তি পান। শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বা ডুয়েল ব্রিটিশ নাগরিক হলে আবেদন করা যাবে না।
আইইএলটিসে ৭-৮ মোটামুটি সেফ স্কোর। তবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভিন্ন ভিন্ন চায়। স্নাতকে ভালো ফলাফল থাকতে হয়। সেই ফলাফলটা কেমন হবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে মিলিয়ে নিতে পারবেন। দুটো রেফারেন্স লাগে। একটা অ্যাকাডেমিক, আরেকটা কাজের জায়গা থেকে। এডুকেশনাল সার্টিফিকেট আর রেফারেন্স শর্টলিস্টেড হলে তারপর আপলোড করতে হয়। স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) বৃত্তিপ্রত্যাশীদের বৃত্তি অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
পছন্দের ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করতে হয়। তারপর সেগুলোতে আবেদন করতে হয়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে ফি লাগে। অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে মৌখিক পরীক্ষায় মুখোমুখি হতে হবে। প্রতি বছরের মাঝামাঝি এই আবেদন শুরু হয়। শেষ হয় বছরের শেষদিকে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। চেভেনিং স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে দেশটিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্য সরকারের এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রতি শিক্ষাবর্ষে বিশ্বের ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়ে থাকেন।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের ১৫০টির মধ্যে একটিতে পছন্দের বিষয়ে এক বছরের স্নাতকোত্তর করতে পারবেন। তবে দুয়েক জায়গায় দুই বছর লাগতে পারে। চেভেনিং বৃত্তি ফুল ফান্ডেড। এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের টিউশন ফি দেওয়া হবে। থাকছে মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থাও। এ ছাড়া আসা-যাওয়ার ভ্রমণ ব্যয় বহন করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভিসা আবেদনেও কোনো ধরনের ফি দিতে হবে না।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
চেভেনিং মূলত পেশাজীবীদের বৃত্তি। এ বৃত্তির জন্য দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় (কমপক্ষে ২ হাজার ৮০০ ঘণ্টা)। ছাত্রজীবনে করা কোনো ইন্টার্নশিপ কিংবা পার্টটাইমের অভিজ্ঞতাও তারা কাউন্ট করে। উন্নয়ন সংস্থা, ইয়ুথ ফোরাম, স্বাস্থ্য, আইন পেশায় থাকা লোকজন এবং সরকারি চাকরি—এগুলো থেকে বেশি লোকজন এই বৃত্তি পান। শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বা ডুয়েল ব্রিটিশ নাগরিক হলে আবেদন করা যাবে না।
আইইএলটিসে ৭-৮ মোটামুটি সেফ স্কোর। তবে সেটা বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে ভিন্ন ভিন্ন চায়। স্নাতকে ভালো ফলাফল থাকতে হয়। সেই ফলাফলটা কেমন হবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে মিলিয়ে নিতে পারবেন। দুটো রেফারেন্স লাগে। একটা অ্যাকাডেমিক, আরেকটা কাজের জায়গা থেকে। এডুকেশনাল সার্টিফিকেট আর রেফারেন্স শর্টলিস্টেড হলে তারপর আপলোড করতে হয়। স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) বৃত্তিপ্রত্যাশীদের বৃত্তি অনেকটা নির্ধারণ করে দেয়।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
পছন্দের ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করতে হয়। তারপর সেগুলোতে আবেদন করতে হয়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে ফি লাগে। অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে মৌখিক পরীক্ষায় মুখোমুখি হতে হবে। প্রতি বছরের মাঝামাঝি এই আবেদন শুরু হয়। শেষ হয় বছরের শেষদিকে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে। এই স্কলারশিপের জন্য অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পান। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ব্রিটিশ কাউন্সিল তৎপর। এ জন্য তারা সরকারের স্পষ্ট নির্দেশিকা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্ব মনোভাব চায়।
এ স্কলারশিপের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনার সুযোগ এবং তুরস্ক ও উগান্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ বছরের একটি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে।