বিডিজেন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি স্ট্যানফোর্ড। প্রতি বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমদিকেই থাকে এটি। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা, তাদের স্বপ্ন থাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। যোগ্যতা থাকলেও অনেকে খরচের কথা চিন্তা করে এই স্বপ্নকে আর বাস্তবে রুপ দিতে পারেন না। বেসরকারি হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরাসরি কোনো স্কলারশিপ দেওয়া হয় না।
এসব শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন তহবিল থেকে দেওয়া হয় স্কলারশিপ। তেমনই একটি স্কলারশিপ নাইট-হেনেসি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রতিবছর ১০০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে স্কলারশিপ দিয়ে থাকে নাইট-হেনেসি। পড়াশোনার সব খরচ আসে তহবিল থেকে। প্রোগ্রামটি সাধারণত তিন বছর পর্যন্ত একাডেমিক খরচ বহন করে থাকে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী যদি একাধিক কিংবা যৌথ প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে হোম ডিপার্টমেন্ট সামঞ্জস্যপূর্ণ ফান্ডের ব্যবস্থা করে থাকে। আনুষঙ্গিক খরচ দেওয়া হবে, থাকার ব্যবস্থাও হবে।
একাডেমিক ব্যয়ের জন্য উপবৃত্তি (বোর্ড, বই, একাডেমিক ও শিক্ষামূলক উপকরণ সরবরাহ) স্থানীয় যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় হাতখরচ দেওয়া হবে। ইকোনোমি ক্লাসের ভ্রমণ ভাতা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন একাডেমিক অর্জনের জন্য অতিরিক্ত ফান্ড নিতে পারবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন। যে বিষয়ে আবেদন করতে চান তার ওপর স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনকারীকে পূর্ণকালীন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন ডিগ্রি—এমএ, এমবিএ, এমএফএ, এমএল, এলএলএম, ডিএমএ, পিএইচডি ইত্যাদি প্রোগ্রামে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। ২০১৮ সাল কিংবা এর পরবর্তী সময়ে স্নাতক পাস করে থাকলে আবেদন করা যাবে। আর সিজিপিএ ৩.৭ এর বেশি হলে এগিয়ে থাকবেন অন্যদের চেয়ে। মার্কিন সেনাবাহিনীতে যাঁদের অবদান থাকবে, তাঁরা আবেদনের জন্য দুই বছর বেশি সময় পাবেন। টোয়েফল পরীক্ষায় স্কোর ৮৯ থেকে ১১০ হতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
নাইট-হেনেসি স্কলারস স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক। আবেদনকারীদের স্ট্যানফোর্ড গ্র্যাজুয়েট অ্যাডমিশন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের আবেদন জমা দিতে হবে। সাধারণত বছরের মাঝামাঝি আবেদন আহ্বান করা হয়।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি স্ট্যানফোর্ড। প্রতি বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমদিকেই থাকে এটি। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা, তাদের স্বপ্ন থাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। যোগ্যতা থাকলেও অনেকে খরচের কথা চিন্তা করে এই স্বপ্নকে আর বাস্তবে রুপ দিতে পারেন না। বেসরকারি হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরাসরি কোনো স্কলারশিপ দেওয়া হয় না।
এসব শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন তহবিল থেকে দেওয়া হয় স্কলারশিপ। তেমনই একটি স্কলারশিপ নাইট-হেনেসি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রতিবছর ১০০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে স্কলারশিপ দিয়ে থাকে নাইট-হেনেসি। পড়াশোনার সব খরচ আসে তহবিল থেকে। প্রোগ্রামটি সাধারণত তিন বছর পর্যন্ত একাডেমিক খরচ বহন করে থাকে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী যদি একাধিক কিংবা যৌথ প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে হোম ডিপার্টমেন্ট সামঞ্জস্যপূর্ণ ফান্ডের ব্যবস্থা করে থাকে। আনুষঙ্গিক খরচ দেওয়া হবে, থাকার ব্যবস্থাও হবে।
একাডেমিক ব্যয়ের জন্য উপবৃত্তি (বোর্ড, বই, একাডেমিক ও শিক্ষামূলক উপকরণ সরবরাহ) স্থানীয় যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় হাতখরচ দেওয়া হবে। ইকোনোমি ক্লাসের ভ্রমণ ভাতা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন একাডেমিক অর্জনের জন্য অতিরিক্ত ফান্ড নিতে পারবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন। যে বিষয়ে আবেদন করতে চান তার ওপর স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনকারীকে পূর্ণকালীন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন ডিগ্রি—এমএ, এমবিএ, এমএফএ, এমএল, এলএলএম, ডিএমএ, পিএইচডি ইত্যাদি প্রোগ্রামে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। ২০১৮ সাল কিংবা এর পরবর্তী সময়ে স্নাতক পাস করে থাকলে আবেদন করা যাবে। আর সিজিপিএ ৩.৭ এর বেশি হলে এগিয়ে থাকবেন অন্যদের চেয়ে। মার্কিন সেনাবাহিনীতে যাঁদের অবদান থাকবে, তাঁরা আবেদনের জন্য দুই বছর বেশি সময় পাবেন। টোয়েফল পরীক্ষায় স্কোর ৮৯ থেকে ১১০ হতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
নাইট-হেনেসি স্কলারস স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক। আবেদনকারীদের স্ট্যানফোর্ড গ্র্যাজুয়েট অ্যাডমিশন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের আবেদন জমা দিতে হবে। সাধারণত বছরের মাঝামাঝি আবেদন আহ্বান করা হয়।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ ভিসা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কার্যকর হলে বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য মালয়েশিয়ার ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে উচ্চদক্ষতার চাকরির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী বছর (২০২৬) বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সর্বোচ্চ সীমা ৯ শতাংশ বাড়িয়ে ২ লাখ ৯৫ হাজারে উন্নীত করবে অস্ট্রেলিয়া। এতে অগ্রাধিকার পাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) দেশটির সরকার এই ঘোষণা দিয়েছে।
২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার স্টাডি পারমিটের (শিক্ষা অনুমতি) জন্য ব্যাংক সলভেন্সি (আর্থিক সক্ষমতা বা দীর্ঘমেয়াদি দেনা পরিশোধের সক্ষমতা) নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে।