
ফারজানা নাজ শম্পা, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, কানাডা

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোর স্কারবোরো এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ বছর বয়সী বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান যুবক আহনাফ আবরার মোর্শেদ ওয়ামিক প্রাণ হারিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আহনাফ ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি টরন্টোর মোর্শেদুর রহমান মামুন ও রওনক জাহান শান্তার একমাত্র সন্তান। মোর্শেদুর রহমান মামুন টরেন্টোর একটি কোম্পানিতে এবং রওনক জাহান শান্তা স্থানীয় একটি স্কুলে কর্মরত আছেন।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহনাফ একটি কাওয়াসাকি নিঞ্জা মোটরসাইকেল চালিয়ে পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় একটি টয়োটা হাইল্যান্ডার গাড়ি বাম দিকে মোড় নিতে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। ফলে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে থাকা একটি পার্ক করা গাড়িতে আঘাত করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর টয়োটা গাড়ির চালক ঘটনাস্থলেই অবস্থান করেন এবং পুলিশি তদন্তে সহায়তা করছেন। হাস্যোজ্জ্বল এই মেধাবী তরুণের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের প্রতি সকলে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছেন।
এই প্রতিবেদনের জন্য কয়েকটি প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমাকে সাহায্য করেছেন মামুন ভাইয়ের ছোট বোন লুনা ও বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফারজানা ফারুক স্মৃতি। তারা শোকে মুহ্যমান থাকা সত্ত্বেও সহযোগিতা করেছেন তাই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে এই পরিবারের সাথে বাংলাদেশের স্কুলজীবন থেকেই নিবিড়ভাবে যুক্ত। মামুন ভাই আমাদের ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল জীবনের সহপাঠী লুনার মেজ ভাই। মামুন ভাই ও শান্তা আপা দুজনেই অসাধারণ অমায়িক মানুষ এবং তারা আমার বড় ভাই-ভাবির সমতুল্য। কানাডার অভিবাসী হিসেবে প্রতিদিনের জীবন সংগ্রামের মাঝে তারা সবসময় আন্তরিক ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করেছেন।
সর্বশক্তিমান আল্লাহ আহনাফ আবরার মোর্শেদ ওয়ামিককে জান্নাতবাসী করুন এবং তার মা-বাবাকে এই অপরিসীম শোক বহন করার শক্তি দান করুন, এই প্রার্থনাই করি।

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোর স্কারবোরো এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ বছর বয়সী বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান যুবক আহনাফ আবরার মোর্শেদ ওয়ামিক প্রাণ হারিয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আহনাফ ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি টরন্টোর মোর্শেদুর রহমান মামুন ও রওনক জাহান শান্তার একমাত্র সন্তান। মোর্শেদুর রহমান মামুন টরেন্টোর একটি কোম্পানিতে এবং রওনক জাহান শান্তা স্থানীয় একটি স্কুলে কর্মরত আছেন।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহনাফ একটি কাওয়াসাকি নিঞ্জা মোটরসাইকেল চালিয়ে পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় একটি টয়োটা হাইল্যান্ডার গাড়ি বাম দিকে মোড় নিতে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। ফলে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে থাকা একটি পার্ক করা গাড়িতে আঘাত করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর টয়োটা গাড়ির চালক ঘটনাস্থলেই অবস্থান করেন এবং পুলিশি তদন্তে সহায়তা করছেন। হাস্যোজ্জ্বল এই মেধাবী তরুণের অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের প্রতি সকলে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছেন।
এই প্রতিবেদনের জন্য কয়েকটি প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমাকে সাহায্য করেছেন মামুন ভাইয়ের ছোট বোন লুনা ও বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফারজানা ফারুক স্মৃতি। তারা শোকে মুহ্যমান থাকা সত্ত্বেও সহযোগিতা করেছেন তাই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে এই পরিবারের সাথে বাংলাদেশের স্কুলজীবন থেকেই নিবিড়ভাবে যুক্ত। মামুন ভাই আমাদের ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল জীবনের সহপাঠী লুনার মেজ ভাই। মামুন ভাই ও শান্তা আপা দুজনেই অসাধারণ অমায়িক মানুষ এবং তারা আমার বড় ভাই-ভাবির সমতুল্য। কানাডার অভিবাসী হিসেবে প্রতিদিনের জীবন সংগ্রামের মাঝে তারা সবসময় আন্তরিক ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করেছেন।
সর্বশক্তিমান আল্লাহ আহনাফ আবরার মোর্শেদ ওয়ামিককে জান্নাতবাসী করুন এবং তার মা-বাবাকে এই অপরিসীম শোক বহন করার শক্তি দান করুন, এই প্রার্থনাই করি।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।