
বিডিজেন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশি আরোহীবাহী একটি নৌকা ডুবির ঘটনায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–জাজিরার।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দুটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে। প্রথম নৌকাটিতে বাংলাদেশ থেকে আসা ২৬ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন।
রেড ক্রিসেন্ট জানায়, দ্বিতীয় নৌকায় ৬৯ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন মিসরীয়। অনেক সুদানিও ছিলেন। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। বলা হয়, এ নৌকার যাত্রীদের মধ্যে ৮টি শিশু ছিল।
আল–খুমস হলো রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত একটি উপকূলীয় শহর।
২০১১ সালে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো-সমর্থিত এক আন্দোলনে লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন হয়। এর পর থেকে দেশটি যুদ্ধ ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে ইউরোপমুখী অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।
লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা। অন্য ছবিতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবকেরা উদ্ধার করা ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া লোকেরা কম্বল জড়িয়ে মাটিতে বসে আছেন।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, উদ্ধারকাজে উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়। শহরের সরকারি কৌঁসুলির নির্দেশে মৃতদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) গত বুধবার জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে মনো করা হচ্ছে। তেলক্ষেত্রটি লিবিয়ার উত্তর–উত্তর–পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
গত অক্টোবরের মাঝামাঝি ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানিয়েছিল, লিবিয়ার উপকূলে সুদানের ৭৫ জন শরণার্থী বহনকারী একটি নৌকায় আগুন লাগার পর অন্তত ৫০ জন মারা গেছেন।
গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে, সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে সেসব আটককেন্দ্র বন্ধ করার আহ্বান জানায়; যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসী ও শরণার্থীদের নির্যাতন, মারধর, এমনকি কখনো হত্যা পর্যন্ত করা হয়।

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশি আরোহীবাহী একটি নৌকা ডুবির ঘটনায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–জাজিরার।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, দুটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে। প্রথম নৌকাটিতে বাংলাদেশ থেকে আসা ২৬ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন।
রেড ক্রিসেন্ট জানায়, দ্বিতীয় নৌকায় ৬৯ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন মিসরীয়। অনেক সুদানিও ছিলেন। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। বলা হয়, এ নৌকার যাত্রীদের মধ্যে ৮টি শিশু ছিল।
আল–খুমস হলো রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত একটি উপকূলীয় শহর।
২০১১ সালে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো-সমর্থিত এক আন্দোলনে লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন হয়। এর পর থেকে দেশটি যুদ্ধ ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে ইউরোপমুখী অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।
লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা। অন্য ছবিতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবকেরা উদ্ধার করা ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া লোকেরা কম্বল জড়িয়ে মাটিতে বসে আছেন।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, উদ্ধারকাজে উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়। শহরের সরকারি কৌঁসুলির নির্দেশে মৃতদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) গত বুধবার জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে মনো করা হচ্ছে। তেলক্ষেত্রটি লিবিয়ার উত্তর–উত্তর–পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
গত অক্টোবরের মাঝামাঝি ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানিয়েছিল, লিবিয়ার উপকূলে সুদানের ৭৫ জন শরণার্থী বহনকারী একটি নৌকায় আগুন লাগার পর অন্তত ৫০ জন মারা গেছেন।
গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে, সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে সেসব আটককেন্দ্র বন্ধ করার আহ্বান জানায়; যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসী ও শরণার্থীদের নির্যাতন, মারধর, এমনকি কখনো হত্যা পর্যন্ত করা হয়।
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক দিনের মধ্যে মাল্টা কর্তৃপক্ষ ৪৪ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীদের গত ১২ ডিসেম্বর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
৫ ঘণ্টা আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
৫ ঘণ্টা আগে