
বিডিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সুন্নি ও শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষে অন্তত ৩৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এপি/ইউএনবির।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের খুররম জেলায় যাত্রীবাহী গাড়িতে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এক ভয়াবহ বন্দুক হামলায় শিয়া সম্প্রদায়ের ৪২ জন নিহত হওয়ার পরের দিনই এ সহিংসতার ঘটনা ঘটল। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতভর চলে এ সংঘর্ষ।
সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানের ২৪ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ শিয়া মুসলমান। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিসংসতা দেশটিতে নতুন নয়।
দেশজুড়ে সুন্নি ও শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করলেও খুররমসহ কিছু কিছু জায়গায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনো উত্তেজনা রয়ে গেছে।
শনিবার ওই অঞ্চলের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বেশ কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি বাগান ও বাচাকোট এলাকার দোকানপাট, বাড়ি ও সরকারি সম্পত্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া, খুররমের আলিজাই ও বাগান সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় খুররমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। উভয় পক্ষই ভারী ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে একে অপরের ওপর হামলা অব্যহত রেখেছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সঙ্গে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতে আগুনের লেলিহান শিখা একটি বাজারকে গ্রাস করেছে। এ সময় গুলির শব্দও শোনা যায়।
বন্দুক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা একটি গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বাস ও গাড়িতে গুলি ছুড়তে থাকে। বৃহস্পতিবারের হামলার স্থানটিও লক্ষ্য করে সশস্ত্র ব্যক্তিরা হামলা চালায়।
এখন পর্যন্ত কেউ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং পুলিশও হত্যার উদ্দেশ্য শনাক্ত করতে পারেনি।
জুলাই মাসে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিষয়টি বর্তমানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। সহিংসতায় এ পর্যন্ত বেশকিছু লোকের প্রাণ গেছে।
আরও পড়ুন

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সুন্নি ও শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষে অন্তত ৩৩ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এপি/ইউএনবির।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের খুররম জেলায় যাত্রীবাহী গাড়িতে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এক ভয়াবহ বন্দুক হামলায় শিয়া সম্প্রদায়ের ৪২ জন নিহত হওয়ার পরের দিনই এ সহিংসতার ঘটনা ঘটল। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতভর চলে এ সংঘর্ষ।
সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানের ২৪ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ শিয়া মুসলমান। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিসংসতা দেশটিতে নতুন নয়।
দেশজুড়ে সুন্নি ও শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করলেও খুররমসহ কিছু কিছু জায়গায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনো উত্তেজনা রয়ে গেছে।
শনিবার ওই অঞ্চলের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বেশ কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি বাগান ও বাচাকোট এলাকার দোকানপাট, বাড়ি ও সরকারি সম্পত্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া, খুররমের আলিজাই ও বাগান সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় খুররমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। উভয় পক্ষই ভারী ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে একে অপরের ওপর হামলা অব্যহত রেখেছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সঙ্গে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতে আগুনের লেলিহান শিখা একটি বাজারকে গ্রাস করেছে। এ সময় গুলির শব্দও শোনা যায়।
বন্দুক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা একটি গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বাস ও গাড়িতে গুলি ছুড়তে থাকে। বৃহস্পতিবারের হামলার স্থানটিও লক্ষ্য করে সশস্ত্র ব্যক্তিরা হামলা চালায়।
এখন পর্যন্ত কেউ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং পুলিশও হত্যার উদ্দেশ্য শনাক্ত করতে পারেনি।
জুলাই মাসে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিষয়টি বর্তমানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। সহিংসতায় এ পর্যন্ত বেশকিছু লোকের প্রাণ গেছে।
আরও পড়ুন
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
২ দিন আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
২ দিন আগে