

বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মতো মেক্সিকোও তার ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করে। আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপি/ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, আমেরিকাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে দেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। তিনি অবৈধভাবে অবস্থানকারী বা অস্থায়ী বৈধ মর্যাদাসম্পন্ন অভিভাবকদের সন্তানদের এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চান।
তবে বাস্তবে বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়। এর মধ্যে অধিকাংশই আমেরিকা মহাদেশের দেশ, যেমন— মেক্সিকো, কানাডা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা ও হন্ডুরাস।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিতর্ক
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। তার প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে নেওয়া এই পদক্ষেপের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক চলছে।
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস শিগগিরই এ বিষয়ে রায় দিতে পারে।
এপ্রিল মাসে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমেরিকাই ‘বিশ্বের একমাত্র দেশ’ যেখানে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
হাইতির এক অভিবাসীর অভিজ্ঞতা
হাইতি থেকে আসা অভিবাসী ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরের মতে, মেক্সিকোর এই নীতি তার পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছে।
তিনি ২০১৯ সালে হাইতি ছেড়ে ব্রাজিল হয়ে পানামার জঙ্গল পাড়ি দিয়ে মেক্সিকোতে পৌঁছান। তার লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত আমেরিকায় থাকা স্বজনদের কাছে যাওয়া। কিন্তু পরে তিনি মেক্সিকোতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
দুই বছর আগে তার নাতনি অ্যালেক্সকা মেক্সিকোতে জন্মগ্রহণ করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেক্সিকান নাগরিকত্ব লাভ করে।
বর্তমানে তিনি টিজুয়ানায় লাকু লাখায় (Lakou Lakay) নামে একটি সফল রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন। হাইতিয়ান ক্রেওল ভাষায় ‘লাকু লাখায়’ অর্থ ‘বাড়ি’। এ ছাড়া, তিনি স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন এবং সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষাও নিচ্ছেন।
তার মতে, মেক্সিকান নাগরিকত্ব তার নাতনিকে হাইতির পাসপোর্টের তুলনায় আরও বেশি সুযোগ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধা দেবে।
অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য সুবিধা
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে মেক্সিকোতে অভিবাসীদের ঢল নামার সময় দেশটিতে পৌঁছানো হাইতিয়ান নারীদের অন্তত ১০ শতাংশ গর্ভবতী ছিলেন।
বর্তমানে মেক্সিকোতে কয়েক হাজার হাইতিয়ান বসবাস করলেও, অ-নাগরিক বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া কত শিশু মেক্সিকান নাগরিকত্ব পেয়েছে তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই।
মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ইতিহাস
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত। গৃহযুদ্ধের পর সাবেক দাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল।
পরবর্তীতে উনিশ শতকের শেষভাগে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে অভিবাসীদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও এ অধিকার সম্প্রসারিত হয়। ওই রায়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তিই নাগরিক, তাদের বাবা-মায়ের আইনি অবস্থান যাই হোক না কেন।
ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের ভিন্ন পথ
অন্যদিকে ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র ২০০৭ সালে অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করে। পরে ২০১৩ সালে এ সিদ্ধান্ত ১৯২৯ সাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী সময়ে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়।
সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ অব নিউইয়র্কের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে ২০১৪ সালে আইন পাস হলেও এক দশকের বেশি সময় পরও প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ রাষ্ট্রহীন অবস্থায় রয়ে গেছে।
বর্তমানে মেক্সিকান নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরে হাইতিয়ান ব্রিজ অ্যালায়েন্সের সঙ্গে কাজ এবং মেক্সিকোতে বসবাসরত হাইতিয়ান অভিবাসীদের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি বলেন, অভিবাসীদের সন্তানেরা প্রায়ই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক উচ্চতর পড়াশোনা করারও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মতো মেক্সিকোও তার ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করে। আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপি/ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, আমেরিকাই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে দেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। তিনি অবৈধভাবে অবস্থানকারী বা অস্থায়ী বৈধ মর্যাদাসম্পন্ন অভিভাবকদের সন্তানদের এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চান।
তবে বাস্তবে বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেয়। এর মধ্যে অধিকাংশই আমেরিকা মহাদেশের দেশ, যেমন— মেক্সিকো, কানাডা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা ও হন্ডুরাস।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিতর্ক
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি, দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। তার প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে নেওয়া এই পদক্ষেপের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক চলছে।
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস শিগগিরই এ বিষয়ে রায় দিতে পারে।
এপ্রিল মাসে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমেরিকাই ‘বিশ্বের একমাত্র দেশ’ যেখানে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
হাইতির এক অভিবাসীর অভিজ্ঞতা
হাইতি থেকে আসা অভিবাসী ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরের মতে, মেক্সিকোর এই নীতি তার পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছে।
তিনি ২০১৯ সালে হাইতি ছেড়ে ব্রাজিল হয়ে পানামার জঙ্গল পাড়ি দিয়ে মেক্সিকোতে পৌঁছান। তার লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত আমেরিকায় থাকা স্বজনদের কাছে যাওয়া। কিন্তু পরে তিনি মেক্সিকোতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
দুই বছর আগে তার নাতনি অ্যালেক্সকা মেক্সিকোতে জন্মগ্রহণ করে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেক্সিকান নাগরিকত্ব লাভ করে।
বর্তমানে তিনি টিজুয়ানায় লাকু লাখায় (Lakou Lakay) নামে একটি সফল রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন। হাইতিয়ান ক্রেওল ভাষায় ‘লাকু লাখায়’ অর্থ ‘বাড়ি’। এ ছাড়া, তিনি স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন এবং সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষাও নিচ্ছেন।
তার মতে, মেক্সিকান নাগরিকত্ব তার নাতনিকে হাইতির পাসপোর্টের তুলনায় আরও বেশি সুযোগ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধা দেবে।
অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য সুবিধা
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে মেক্সিকোতে অভিবাসীদের ঢল নামার সময় দেশটিতে পৌঁছানো হাইতিয়ান নারীদের অন্তত ১০ শতাংশ গর্ভবতী ছিলেন।
বর্তমানে মেক্সিকোতে কয়েক হাজার হাইতিয়ান বসবাস করলেও, অ-নাগরিক বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া কত শিশু মেক্সিকান নাগরিকত্ব পেয়েছে তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই।
মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ইতিহাস
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত। গৃহযুদ্ধের পর সাবেক দাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল।
পরবর্তীতে উনিশ শতকের শেষভাগে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে অভিবাসীদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও এ অধিকার সম্প্রসারিত হয়। ওই রায়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তিই নাগরিক, তাদের বাবা-মায়ের আইনি অবস্থান যাই হোক না কেন।
ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের ভিন্ন পথ
অন্যদিকে ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র ২০০৭ সালে অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করে। পরে ২০১৩ সালে এ সিদ্ধান্ত ১৯২৯ সাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী সময়ে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়।
সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ অব নিউইয়র্কের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে ২০১৪ সালে আইন পাস হলেও এক দশকের বেশি সময় পরও প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ রাষ্ট্রহীন অবস্থায় রয়ে গেছে।
বর্তমানে মেক্সিকান নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা ভিভিয়ান পেতি ফ্রেরে হাইতিয়ান ব্রিজ অ্যালায়েন্সের সঙ্গে কাজ এবং মেক্সিকোতে বসবাসরত হাইতিয়ান অভিবাসীদের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি বলেন, অভিবাসীদের সন্তানেরা প্রায়ই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক উচ্চতর পড়াশোনা করারও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৩ হাজার ইয়েন বা ১৮ দশমিক ৬৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার ইয়েন বা ৯২ দশমিক ৭৬ ডলার করা হয়েছে।
মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।
পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বীকার করেছেন, তিনি শাহরিয়ারকে তার অরোকলিনির বাসা থেকে ফুসলিয়ে কোফিনাউ–এর একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। একই সন্ধ্যায় তাকে গলা ও পিঠে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।