
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক রহস্যজনক বার্তা দিয়েছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, পত্রিকাটি তাঁর ভাবনা সম্পর্কে কিছুই জানে না।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ট্রাম্প নাকি ইরানে হামলার পরিকল্পনায় ব্যক্তিগতভাবে সম্মতি দিয়েছেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন—আশায় ছিলেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসবে।
ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে-এ লিখেছেন, ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ইরান বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনা সম্পর্কে কিছুই জানে না!’
গতকাল পর্যন্ত ট্রাম্প জানান, ট্রাম্প এখনো ইরানে হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘দেখা যাক কী হয়। সবাই আমাকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করছে, কিন্তু আমি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক রহস্যজনক বার্তা দিয়েছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, পত্রিকাটি তাঁর ভাবনা সম্পর্কে কিছুই জানে না।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ট্রাম্প নাকি ইরানে হামলার পরিকল্পনায় ব্যক্তিগতভাবে সম্মতি দিয়েছেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন—আশায় ছিলেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসবে।
ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে-এ লিখেছেন, ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ইরান বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনা সম্পর্কে কিছুই জানে না!’
গতকাল পর্যন্ত ট্রাম্প জানান, ট্রাম্প এখনো ইরানে হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘দেখা যাক কী হয়। সবাই আমাকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করছে, কিন্তু আমি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।