
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য কঠোর এক বার্তা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন থেকে যেসব বিদেশি তাদের সাময়িক ‘ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস’ পরিবর্তন করে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ পেতে চান, তাদের নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আমেরিকান নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) গতকাল শুক্রবার এক নতুন নীতিমালায় এই ঘোষণা দিয়েছে। এতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিজ দেশের আমেরিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে এই আবেদন করতে হবে।
আমেরিকান প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার ও অভিবাসী সহায়তা সংস্থা।
নীতিমালায় যা বলা হয়েছে
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে। কর্মকর্তারা এখন থেকে প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করবেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এক বিবৃতিতে জানায়, “যেসব বিদেশি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাদের আবেদনের জন্য অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। এই নীতিটির মাধ্যমে আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থা আইনের মূল উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। এর ফলে আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ হবে।”
সংস্থাটি আরও জানায়, নতুন এই নিয়মের ফলে কাজের চাপ কমবে এবং ইউএসসিআইএস কর্মকর্তারা অন্য জটিল কাজগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
গত এক বছরে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসন ব্যবস্থা সংকুচিত করতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, শুক্রবারের এই ঘোষণা তারই সর্বশেষ অংশ।
এর আগে গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে আসা দর্শনার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল। এ ছাড়া গত জানুয়ারি মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য কঠোর এক বার্তা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন থেকে যেসব বিদেশি তাদের সাময়িক ‘ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস’ পরিবর্তন করে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ পেতে চান, তাদের নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আমেরিকান নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) গতকাল শুক্রবার এক নতুন নীতিমালায় এই ঘোষণা দিয়েছে। এতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিজ দেশের আমেরিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে এই আবেদন করতে হবে।
আমেরিকান প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার ও অভিবাসী সহায়তা সংস্থা।
নীতিমালায় যা বলা হয়েছে
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে। কর্মকর্তারা এখন থেকে প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করবেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এক বিবৃতিতে জানায়, “যেসব বিদেশি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাদের আবেদনের জন্য অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। এই নীতিটির মাধ্যমে আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থা আইনের মূল উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। এর ফলে আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ হবে।”
সংস্থাটি আরও জানায়, নতুন এই নিয়মের ফলে কাজের চাপ কমবে এবং ইউএসসিআইএস কর্মকর্তারা অন্য জটিল কাজগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
গত এক বছরে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসন ব্যবস্থা সংকুচিত করতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, শুক্রবারের এই ঘোষণা তারই সর্বশেষ অংশ।
এর আগে গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে আসা দর্শনার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল। এ ছাড়া গত জানুয়ারি মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বদর আল-কাত্তান জানান, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল পর্যন্ত পথচারী পারাপারের নির্ধারিত লেন ব্যবহার না করে রাস্তা পার হওয়ায় ৮ হাজার ৯৩৮টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের নোটিশ জারি করা হয়েছে।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৪ দিন আগে