
বিডিজেন ডেস্ক

কয়েক দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ‘ছাওয়া’ সিনেমার ট্রেলার। এটি প্রথমে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু পরে ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানার নাচের একটি দৃশ্য নিয়ে, প্রবল আপত্তি ওঠে। এই বিতর্কে জেরবার হয়ে শেষ পর্যন্ত নাচটি মুছে দিতে বাধ্য হলেন নির্মাতা লক্ষ্মণ উতেকর।
খবর হিন্দুস্তান টাইমসের
ছত্রপতি শিবাজির জ্যেষ্ঠ পুত্র ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের গল্প নিয়ে ছবিটি তৈরি করেছেন লক্ষ্মণ। ছবির ঝলকে দেখা গেছে, একসঙ্গে বাদ্যযন্ত্রের সুরের তালে তালে নাচছেন ছত্রপতি সম্ভাজি ও তাঁর স্ত্রী ইয়েসুবাই। এ দুই চরিত্রেই অভিনয় করেছেন ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানা। এ নাচ নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। চটেছিলেন শিবাজির বংশধর ও প্রাক্তন মারাঠা সংসদ সদস্য সম্ভাজিরাজে ছত্রপতি। মহারাষ্ট্রের একাধিক মন্ত্রীও ছবি মুক্তির আগে এই বিষয়ে পরিচালককে ইতিহাসবিদদের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। অবশেষে পিছু হটেছেন নির্মাতা।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকর বলেছেন, ‘আমি রাজ ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেছি। খুবই শিক্ষিত মানুষ তিনি। তাই ওঁর থেকে আমি কিছু পরামর্শ নিয়েছি। সত্যিই ওঁর পরামর্শ আমার কাছে খুবই মূল্যবান। ওঁর সঙ্গে দেখা করার পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সম্ভাজি মহারাজের নাচের দৃশ্য মুছে দেব আমরা।’

লক্ষ্মণ উতেকর আরও বলেন, ‘ওই নাচ ছবিতে কোনো বড় বিষয় নয়। সম্ভাজি মহারাজ এই নাচের থেকে অনেক বড়। তাই আমরা ছবি থেকে এই নাচের দৃশ্যে মুছে দিচ্ছি।’ এখানেই শেষ নয়। ছবি নির্মাতা সংস্থার তরফে আগামী জানুয়ারি এই ছবির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে ইতিহাসবিদদের জন্য।
শিবাজির বংশধরে জানিয়েছিলেন, এই ছবি মুক্তির আগে প্রথম সারির ইতিহাসবিদদের দেখানো হোক। যদি ঐতিহাসিক কোনো তথ্যের ভুল-ত্রুটি থাকে, তাহলে তা বাদ দেওয়া যাবে অথবা শুধরে নেওয়া যাবে। অন্যথায় দর্শকের কাছে ভুল বার্তা চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ভুল থাকলে ছবি প্রদর্শিত হবে না। তাই তিনি নিজেও ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে তাই দেখতে চেয়েছেন।
তবে শিবাজির বংশধর এ–ও জানান, ছবিতে বিনোদনমূলক দৃশ্য থাকবেই। কারণ, এটি শিবাজির ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র নয়। পাশাপাশি, বড় পর্দায় নাটকীয়তা ফোটাতে গেলে ইতিহাসকে হুবহু অনুসরণ করাও সম্ভব নয়। সেই দিক মাথায় রেখেই তার মত, সিনেমা তার পথেই হাঁটুক।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ছবিটি বড় পর্দায় মুক্তি পাবে।

কয়েক দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ‘ছাওয়া’ সিনেমার ট্রেলার। এটি প্রথমে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু পরে ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানার নাচের একটি দৃশ্য নিয়ে, প্রবল আপত্তি ওঠে। এই বিতর্কে জেরবার হয়ে শেষ পর্যন্ত নাচটি মুছে দিতে বাধ্য হলেন নির্মাতা লক্ষ্মণ উতেকর।
খবর হিন্দুস্তান টাইমসের
ছত্রপতি শিবাজির জ্যেষ্ঠ পুত্র ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের গল্প নিয়ে ছবিটি তৈরি করেছেন লক্ষ্মণ। ছবির ঝলকে দেখা গেছে, একসঙ্গে বাদ্যযন্ত্রের সুরের তালে তালে নাচছেন ছত্রপতি সম্ভাজি ও তাঁর স্ত্রী ইয়েসুবাই। এ দুই চরিত্রেই অভিনয় করেছেন ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানা। এ নাচ নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। চটেছিলেন শিবাজির বংশধর ও প্রাক্তন মারাঠা সংসদ সদস্য সম্ভাজিরাজে ছত্রপতি। মহারাষ্ট্রের একাধিক মন্ত্রীও ছবি মুক্তির আগে এই বিষয়ে পরিচালককে ইতিহাসবিদদের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। অবশেষে পিছু হটেছেন নির্মাতা।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকর বলেছেন, ‘আমি রাজ ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেছি। খুবই শিক্ষিত মানুষ তিনি। তাই ওঁর থেকে আমি কিছু পরামর্শ নিয়েছি। সত্যিই ওঁর পরামর্শ আমার কাছে খুবই মূল্যবান। ওঁর সঙ্গে দেখা করার পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সম্ভাজি মহারাজের নাচের দৃশ্য মুছে দেব আমরা।’

লক্ষ্মণ উতেকর আরও বলেন, ‘ওই নাচ ছবিতে কোনো বড় বিষয় নয়। সম্ভাজি মহারাজ এই নাচের থেকে অনেক বড়। তাই আমরা ছবি থেকে এই নাচের দৃশ্যে মুছে দিচ্ছি।’ এখানেই শেষ নয়। ছবি নির্মাতা সংস্থার তরফে আগামী জানুয়ারি এই ছবির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে ইতিহাসবিদদের জন্য।
শিবাজির বংশধরে জানিয়েছিলেন, এই ছবি মুক্তির আগে প্রথম সারির ইতিহাসবিদদের দেখানো হোক। যদি ঐতিহাসিক কোনো তথ্যের ভুল-ত্রুটি থাকে, তাহলে তা বাদ দেওয়া যাবে অথবা শুধরে নেওয়া যাবে। অন্যথায় দর্শকের কাছে ভুল বার্তা চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ভুল থাকলে ছবি প্রদর্শিত হবে না। তাই তিনি নিজেও ছবিটি মুক্তি পাওয়ার আগে তাই দেখতে চেয়েছেন।
তবে শিবাজির বংশধর এ–ও জানান, ছবিতে বিনোদনমূলক দৃশ্য থাকবেই। কারণ, এটি শিবাজির ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র নয়। পাশাপাশি, বড় পর্দায় নাটকীয়তা ফোটাতে গেলে ইতিহাসকে হুবহু অনুসরণ করাও সম্ভব নয়। সেই দিক মাথায় রেখেই তার মত, সিনেমা তার পথেই হাঁটুক।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ছবিটি বড় পর্দায় মুক্তি পাবে।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।