
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া একটি বাংলাদেশি জঙ্গি গোষ্ঠী সিরিয়া ও বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেট (আইএস) সেলগুলোকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিল। আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) দাতুক সেরি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল।
থবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের।
তিনি জানান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ গোয়েন্দা নজরদারি ও তদন্তের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, এই গোষ্ঠী আইএস-এর কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের জন্য অর্থ জমা করছিল।
আইজিপি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, ‘আমরা এখনো খতিয়ে দেখছি কত টাকা এই গোষ্ঠী সংগ্রহ করেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সদস্য ফি ও দাতব্য অনুদানের মাধ্যমে তারা এই অর্থ সংগ্রহ করেছিল।’
দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম গেরাকান মিলিটান র্যাডিক্যাল বাংলাদেশ (জিআরএমবি)। তারা হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সদস্য নিয়োগ ও মতাদর্শ ছড়াত।
আইজিপি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ সদস্য ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রতিটি সদস্যকে বার্ষিক ৫০০ মালয়েশিয়ান রিংগিত সদস্য ফি দিতে হতো।’
প্রতিবেশী দেশগুলোর আইএস সেলের সঙ্গে গ্রেপ্তার জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টরা আছে কি না জানতে চাইলে মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন।
তিনি বলেন, ‘আমরা অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এবং ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করছি, যাতে তাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক উন্মোচন করা যায়।’
মালয়েশিয়া পুলিশ জানায়, এই জঙ্গি সেল মূলত মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্য থেকে সদস্য সংগ্রহ করত।
মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা বাংলাদেশি শ্রমিক, কারখানার কর্মী এবং অন্য খাতের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে সদস্য সংগ্রহ করত। সদস্য হতে হলে আগে শপথ গ্রহণ করতে হতো। তবে কাউকে সদস্যপদ দেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা হতো।
মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে ধ্বংস করতে ৩ ধাপে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়, যা ২৮ এপ্রিল থেকে ২১ জুন পর্যন্ত চলে। এই অভিযানে জোহর এবং সেলাঙ্গর রাজ্যে ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৩৬ জন বাংলাদেশি পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে সেলের শীর্ষ নেতাও রয়েছে। তারা মালয়েশিয়ায় কোনো সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা করেনি, বরং সদস্য সংগ্রহ এবং আইএস-এর মতাদর্শ প্রচারে ব্যস্ত ছিল।
আইজিপি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল সতর্ক করে বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, ১৫ জনকে ইমিগ্রেশন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছে।’
আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া একটি বাংলাদেশি জঙ্গি গোষ্ঠী সিরিয়া ও বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেট (আইএস) সেলগুলোকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিল। আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) দাতুক সেরি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল।
থবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের।
তিনি জানান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ গোয়েন্দা নজরদারি ও তদন্তের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, এই গোষ্ঠী আইএস-এর কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের জন্য অর্থ জমা করছিল।
আইজিপি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, ‘আমরা এখনো খতিয়ে দেখছি কত টাকা এই গোষ্ঠী সংগ্রহ করেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সদস্য ফি ও দাতব্য অনুদানের মাধ্যমে তারা এই অর্থ সংগ্রহ করেছিল।’
দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম গেরাকান মিলিটান র্যাডিক্যাল বাংলাদেশ (জিআরএমবি)। তারা হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সদস্য নিয়োগ ও মতাদর্শ ছড়াত।
আইজিপি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ সদস্য ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রতিটি সদস্যকে বার্ষিক ৫০০ মালয়েশিয়ান রিংগিত সদস্য ফি দিতে হতো।’
প্রতিবেশী দেশগুলোর আইএস সেলের সঙ্গে গ্রেপ্তার জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টরা আছে কি না জানতে চাইলে মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন।
তিনি বলেন, ‘আমরা অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এবং ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করছি, যাতে তাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক উন্মোচন করা যায়।’
মালয়েশিয়া পুলিশ জানায়, এই জঙ্গি সেল মূলত মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্য থেকে সদস্য সংগ্রহ করত।
মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেন, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা বাংলাদেশি শ্রমিক, কারখানার কর্মী এবং অন্য খাতের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে সদস্য সংগ্রহ করত। সদস্য হতে হলে আগে শপথ গ্রহণ করতে হতো। তবে কাউকে সদস্যপদ দেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা হতো।
মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে ধ্বংস করতে ৩ ধাপে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়, যা ২৮ এপ্রিল থেকে ২১ জুন পর্যন্ত চলে। এই অভিযানে জোহর এবং সেলাঙ্গর রাজ্যে ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৩৬ জন বাংলাদেশি পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে সেলের শীর্ষ নেতাও রয়েছে। তারা মালয়েশিয়ায় কোনো সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনা করেনি, বরং সদস্য সংগ্রহ এবং আইএস-এর মতাদর্শ প্রচারে ব্যস্ত ছিল।
আইজিপি মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল সতর্ক করে বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, ১৫ জনকে ইমিগ্রেশন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছে।’
আরও পড়ুন
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
এক প্রতিবেদনে টাইম ম্যাগাজিন জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে তেহরানের এক চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, শুধুমাত্র তেহরানের ৬টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।

গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
২ দিন আগে
বিবিসি বলছে, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এতে ডজনের বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এসব আগুনে ৩ লাখ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। রোববার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তার আগের দিন কর্তৃপক্ষ ‘দুর্যোগ অবস্থা’ ঘোষণা করে।
২ দিন আগে