
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪০ বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে এক অভিযানে তাদের আটক করে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
কুয়ালালামপুরের সেগামবুট এলাকায় রাত ১২টার দিকে অভিযান শুরু করে কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগ। যা চলে রাত ৩টা পর্যন্ত।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ জানান, ৩৮টি আবাসিক ভবনে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে মোট ১৫৮ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৫১ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ জন বাংলাদেশি। বাকি ১১ জনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৬ জন, নেপালের ৪ জন ও পাকিস্তানের ১ জন নাগরিক রয়েছেন।
আটক ব্যক্তিদের কারও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। জানানো হয়েছে, সবার বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
আটক হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে এক দম্পতি রয়েছেন। বৈধ ট্রাভেল পাস না থাকায় তাদের আটক করা হয়।
ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ লঙ্ঘন, বিশেষ করে ওয়ার্ক পারমিট বা পাসপোর্টের মতো বৈধ ভ্রমণ নথি দেখাতে ব্যর্থ হওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে এই ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪০ বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে এক অভিযানে তাদের আটক করে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
কুয়ালালামপুরের সেগামবুট এলাকায় রাত ১২টার দিকে অভিযান শুরু করে কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগ। যা চলে রাত ৩টা পর্যন্ত।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ জানান, ৩৮টি আবাসিক ভবনে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে মোট ১৫৮ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৫১ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪০ জন বাংলাদেশি। বাকি ১১ জনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৬ জন, নেপালের ৪ জন ও পাকিস্তানের ১ জন নাগরিক রয়েছেন।
আটক ব্যক্তিদের কারও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। জানানো হয়েছে, সবার বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
আটক হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে এক দম্পতি রয়েছেন। বৈধ ট্রাভেল পাস না থাকায় তাদের আটক করা হয়।
ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ লঙ্ঘন, বিশেষ করে ওয়ার্ক পারমিট বা পাসপোর্টের মতো বৈধ ভ্রমণ নথি দেখাতে ব্যর্থ হওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে এই ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।