
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতে এটিএমে জালিয়াতি করে অর্থ চুরির অপরাধে রাজু নামে এক বাংলাদেশি ও ২ পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি তাদের গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন (৪ আগস্ট) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ও ২ পাকিস্তানি মিলে এই জালিয়াতি করেছে।বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রাথমিক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং বাংলাদেশিকে কুয়েতের বাংলাদেশ অধ্যুষিত জিলিব আল-শুয়েখ থেকে আটকের সময় তার কাছে থেকে ৫ হাজার দিনারসহ বিদেশে অবৈধভাবে তহবিল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি সিম, ব্যাংক কার্ড ও ফোন জব্দ করেছে গোয়েন্দারা।
এ ছাড়া, বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অন্য দেশে অবৈধভাবে টাকা পাঠানোর স্লিপ ছিল বাংলাদেশি রাজুর কাছে। রাজুকে আটকের সময় তার বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও বুথে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে তার বিষয়ে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছে।
তদন্তসূত্রে জানা গেছে, অপরাধীরা মূলত কুয়েতি ও প্রবাসীদের লক্ষ্য করে এটিএমের কার্ডলেস (জালিয়াতির) মাধ্যমে টাকাগুলো বুথ থেকে বের করত। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাকিস্তান থেকে পরিচালিত সিন্ডিকেটের আন্তর্জাতিক শাখার সন্ধানও পেয়েছে এবং বর্তমানে বৃহত্তর নেটওয়ার্কটি ভেঙে ফেলার জন্য বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে।
গ্রেপ্তার বাংলাদেশি কুয়েতের আল-জাজিরা ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি এবং ২ পাকিস্তানি মির্জা জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত ছিল।

কুয়েতে এটিএমে জালিয়াতি করে অর্থ চুরির অপরাধে রাজু নামে এক বাংলাদেশি ও ২ পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি তাদের গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন (৪ আগস্ট) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ও ২ পাকিস্তানি মিলে এই জালিয়াতি করেছে।বায়োমেট্রিক সিস্টেমের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রাথমিক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং বাংলাদেশিকে কুয়েতের বাংলাদেশ অধ্যুষিত জিলিব আল-শুয়েখ থেকে আটকের সময় তার কাছে থেকে ৫ হাজার দিনারসহ বিদেশে অবৈধভাবে তহবিল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি সিম, ব্যাংক কার্ড ও ফোন জব্দ করেছে গোয়েন্দারা।
এ ছাড়া, বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অন্য দেশে অবৈধভাবে টাকা পাঠানোর স্লিপ ছিল বাংলাদেশি রাজুর কাছে। রাজুকে আটকের সময় তার বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও বুথে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে তার বিষয়ে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছে।
তদন্তসূত্রে জানা গেছে, অপরাধীরা মূলত কুয়েতি ও প্রবাসীদের লক্ষ্য করে এটিএমের কার্ডলেস (জালিয়াতির) মাধ্যমে টাকাগুলো বুথ থেকে বের করত। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাকিস্তান থেকে পরিচালিত সিন্ডিকেটের আন্তর্জাতিক শাখার সন্ধানও পেয়েছে এবং বর্তমানে বৃহত্তর নেটওয়ার্কটি ভেঙে ফেলার জন্য বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে।
গ্রেপ্তার বাংলাদেশি কুয়েতের আল-জাজিরা ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি এবং ২ পাকিস্তানি মির্জা জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত ছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।