বিডিজেন ডেস্ক
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার একদিন পর অবশেষে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে না বলে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে তারা।
জেরুজালেম থেকে চীনা বার্তা সংস্থা সিনহৃয়া এ খবর দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সিনওয়ারকে ‘বীর’ হিসেবে অভিহিত করে শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি বীর হিসেবে যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন; অগ্রসর হয়েছেন এবং পিছু হটেননি, বরং অস্ত্র দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীকে সামনে থেকে মোকাবিলা করেছেন।
এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি ভবনের মধ্যে চেয়ারে বসে আছেন এক ব্যক্তি। ধুলায় সারা শরীর ঢাকা মারাত্মক আহত ওই ব্যক্তি নিজের দিকে এগিয়ে আসা একটি ইসরায়েলি ড্রোনের দিকে লাঠি নিক্ষেপ করছেন।
বিবৃতিতে হামাস সেটিকেই সিনওয়ারের জীবনাবসানের আগমুহূর্তের ঘটনা হিসেবে ইঙ্গিত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সিনওয়ার হত্যাকাণ্ডকে ‘গাজা যুদ্ধের শেষের শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করলেও ‘যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি’ বলে উল্লেখ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তবে ইসরায়েলের মিত্র দেশগুলো থেকে শুরু করে গাজার অসহায় বাসিন্দাদের অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন যে সিনওয়ারের মৃত্যু এই যুদ্ধ অবসানের পথ প্রশস্ত করবে।
হামাস-প্রধানের মৃত্যুর খবরে জিম্মিদের মুক্ত করতে নতুন করে যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু করার জন্য দেশের সরকারের কাছে ফের দাবি তুলেছে ইসরায়েলিরা।
তবে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় হামাসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া সিনওয়ারের কাতারভিত্তিক সহযোগী খলিল আল-হাইয়া বলেছেন, ‘গাজায় আগ্রাসনের অবসান এবং সেনা প্রত্যাহারের আগে জিম্মিরা মুক্তি পাবে না।’
অবশ্য দেশের জনগণকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানিয়েছেন, জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে নতুন করে আলোচনার জন্য শুক্রবার একটি বিশেষ বৈঠক ডাকার পরিকল্পনা করছেন নেতানিয়াহু।
হামাসের কাছে এখনো প্রায় ১০০ জন জিম্মি রয়েছে। অবশ্য তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি ইসরায়েলের।
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার একদিন পর অবশেষে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে না বলে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে তারা।
জেরুজালেম থেকে চীনা বার্তা সংস্থা সিনহৃয়া এ খবর দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সিনওয়ারকে ‘বীর’ হিসেবে অভিহিত করে শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি বীর হিসেবে যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন; অগ্রসর হয়েছেন এবং পিছু হটেননি, বরং অস্ত্র দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীকে সামনে থেকে মোকাবিলা করেছেন।
এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি ভবনের মধ্যে চেয়ারে বসে আছেন এক ব্যক্তি। ধুলায় সারা শরীর ঢাকা মারাত্মক আহত ওই ব্যক্তি নিজের দিকে এগিয়ে আসা একটি ইসরায়েলি ড্রোনের দিকে লাঠি নিক্ষেপ করছেন।
বিবৃতিতে হামাস সেটিকেই সিনওয়ারের জীবনাবসানের আগমুহূর্তের ঘটনা হিসেবে ইঙ্গিত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সিনওয়ার হত্যাকাণ্ডকে ‘গাজা যুদ্ধের শেষের শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করলেও ‘যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি’ বলে উল্লেখ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তবে ইসরায়েলের মিত্র দেশগুলো থেকে শুরু করে গাজার অসহায় বাসিন্দাদের অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন যে সিনওয়ারের মৃত্যু এই যুদ্ধ অবসানের পথ প্রশস্ত করবে।
হামাস-প্রধানের মৃত্যুর খবরে জিম্মিদের মুক্ত করতে নতুন করে যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু করার জন্য দেশের সরকারের কাছে ফের দাবি তুলেছে ইসরায়েলিরা।
তবে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় হামাসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া সিনওয়ারের কাতারভিত্তিক সহযোগী খলিল আল-হাইয়া বলেছেন, ‘গাজায় আগ্রাসনের অবসান এবং সেনা প্রত্যাহারের আগে জিম্মিরা মুক্তি পাবে না।’
অবশ্য দেশের জনগণকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানিয়েছেন, জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে নতুন করে আলোচনার জন্য শুক্রবার একটি বিশেষ বৈঠক ডাকার পরিকল্পনা করছেন নেতানিয়াহু।
হামাসের কাছে এখনো প্রায় ১০০ জন জিম্মি রয়েছে। অবশ্য তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি ইসরায়েলের।
এই উদ্যোগের পর বিদেশি শিক্ষার্থী, বিনিময় কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজন হলেও দেশটিতে বাড়তি সময় অবস্থান করা কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে একটি ক্যাথলিক স্কুলে জানালা দিয়ে বন্দুক হামলা চালিয়েছে এক ব্যক্তি। এতে ৮ ও ১০ বছর বয়সী ২ শিশু নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশি। এ বছরের (২০২৫) জুনের শেষ পর্যন্ত ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নিয়ে সেখানে কর্মরত ছিলেন।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।