
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে প্রচুর খাবার নষ্ট হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কী পরিমাণ খাবার নষ্ট হয় তা নিরূপণে এবার জরিপ শুরু করেছে সৌদি প্রশাসন। এই জরিপের পর খাবার নষ্ট রোধে পরামর্শও দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতিসংঘের খাদ্য বর্জ্য কর্মসূচির (ফুড ওয়েস্ট প্রোগ্রাম) তথ্য অনুসারে, বিশ্বের মোট খাদ্য অপচয়ের ৫০ শতাংশ হয় সৌদিতে।
এক গবেষণায় বলা হয়, সৌদিতে গড়ে একজন ব্যক্তি বছরে ১৮৪ কেজি ওজনের খাবার নষ্ট করেন। দেশটিতে প্রতি বছর ৪০ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা ১০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের খাবার নষ্ট হয়। এই পরিমাণ কমাতে চেষ্টা করছে সৌদি সরকার।
২০১৯ সালে পর্যালোচনা শুরু করে দেশটির সৌদি জেনারেল ফুড সিকিউরিটি। এবার এর গভর্নর আহমেদ আল ফারেস জানিয়েছেন, এসব পর্যালোচনায় যুক্ত করা হবে সচেতনতার অংশটিও। এ ছাড়া নষ্ট হওয়া খাবারের ব্যবস্থাপনাও যাতে নবায়ন হয়, সে ব্যাপারে পরামর্শ থাকবে বলেও জানান গভর্নর আল ফারেস।
সৌদির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকল্পটি এমন বিশদ ও আপডেট পরিমাপ প্রদান করবে, যাতে কর্তৃপক্ষ খাদ্যের অপচয় কমাতে আরও কার্যকর কৌশল বের করতে সক্ষম হয়।’
গত বছর সৌদি পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে নষ্ট হওয়া খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে চাল, আটা ও রুটির হার সবচেয়ে বেশি। গবেষণা অনুসারে, সবচেয়ে বেশি নষ্ট করা হয় ভাত, ৩৪ শতাংশ। তারপর আটা ও রুটি ৩০ শতাংশ।
এ অপচয়ের জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রকৃত চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার প্রস্তুত করাকে দায়ী করেছেন।

সৌদি আরবে প্রচুর খাবার নষ্ট হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কী পরিমাণ খাবার নষ্ট হয় তা নিরূপণে এবার জরিপ শুরু করেছে সৌদি প্রশাসন। এই জরিপের পর খাবার নষ্ট রোধে পরামর্শও দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতিসংঘের খাদ্য বর্জ্য কর্মসূচির (ফুড ওয়েস্ট প্রোগ্রাম) তথ্য অনুসারে, বিশ্বের মোট খাদ্য অপচয়ের ৫০ শতাংশ হয় সৌদিতে।
এক গবেষণায় বলা হয়, সৌদিতে গড়ে একজন ব্যক্তি বছরে ১৮৪ কেজি ওজনের খাবার নষ্ট করেন। দেশটিতে প্রতি বছর ৪০ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা ১০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের খাবার নষ্ট হয়। এই পরিমাণ কমাতে চেষ্টা করছে সৌদি সরকার।
২০১৯ সালে পর্যালোচনা শুরু করে দেশটির সৌদি জেনারেল ফুড সিকিউরিটি। এবার এর গভর্নর আহমেদ আল ফারেস জানিয়েছেন, এসব পর্যালোচনায় যুক্ত করা হবে সচেতনতার অংশটিও। এ ছাড়া নষ্ট হওয়া খাবারের ব্যবস্থাপনাও যাতে নবায়ন হয়, সে ব্যাপারে পরামর্শ থাকবে বলেও জানান গভর্নর আল ফারেস।
সৌদির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকল্পটি এমন বিশদ ও আপডেট পরিমাপ প্রদান করবে, যাতে কর্তৃপক্ষ খাদ্যের অপচয় কমাতে আরও কার্যকর কৌশল বের করতে সক্ষম হয়।’
গত বছর সৌদি পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে নষ্ট হওয়া খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে চাল, আটা ও রুটির হার সবচেয়ে বেশি। গবেষণা অনুসারে, সবচেয়ে বেশি নষ্ট করা হয় ভাত, ৩৪ শতাংশ। তারপর আটা ও রুটি ৩০ শতাংশ।
এ অপচয়ের জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রকৃত চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার প্রস্তুত করাকে দায়ী করেছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, জীবিতদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশ, চারজন দক্ষিণ সুদান ও একজন চাদের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড। তাদের মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশুও রয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।