
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দেশটির সঙ্গে আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৬ এপ্রিল) ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই পক্ষের মধ্যে এ আলোচনা শুরু হয় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল। এ নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসলেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
শনিবারের আলোচনায় কোন কোন বিষয় উত্থাপন করা হয়েছিল, তা জানাননি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। এর আগে দুই সপ্তাহে মাসকাট ও ইতালির রাজধানী রোমে দুই দফায় বৈঠক করেছিলেন তাঁরা।
২০২৫ সালের পরমাণু প্রকল্পসংক্রান্ত একটি চুক্তিতে অংশ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে নিজের প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ান ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছেন তিনি।
এ আলোচনায় যে অগ্রগতি হচ্ছে, তাঁর ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প নিজেই। প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে বিমানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (ইরান) সঙ্গে অনেক আলোচনা করেছি। আর আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তিতে একমত হতে যাচ্ছি। অন্য যেকোনো বিকল্পের চেয়ে আমি চুক্তি করতে বেশি পছন্দ করব।’
তবে এর আগে কিন্তু ইরানকে হুঁশিয়ারি দিতেও পিছপা হননি ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লেখা একটি চিঠিতে তিনি বলেছিলেন, কূটনৈতিক উপায় যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে সামরিক পথ খোলা থাকবে। অর্থাৎ ইরানে হামলাও চালাতে পারেন তিনি।
আরও পড়ুন

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দেশটির সঙ্গে আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২৬ এপ্রিল) ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই পক্ষের মধ্যে এ আলোচনা শুরু হয় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল। এ নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসলেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
শনিবারের আলোচনায় কোন কোন বিষয় উত্থাপন করা হয়েছিল, তা জানাননি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। এর আগে দুই সপ্তাহে মাসকাট ও ইতালির রাজধানী রোমে দুই দফায় বৈঠক করেছিলেন তাঁরা।
২০২৫ সালের পরমাণু প্রকল্পসংক্রান্ত একটি চুক্তিতে অংশ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে নিজের প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ান ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছেন তিনি।
এ আলোচনায় যে অগ্রগতি হচ্ছে, তাঁর ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প নিজেই। প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে বিমানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের (ইরান) সঙ্গে অনেক আলোচনা করেছি। আর আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তিতে একমত হতে যাচ্ছি। অন্য যেকোনো বিকল্পের চেয়ে আমি চুক্তি করতে বেশি পছন্দ করব।’
তবে এর আগে কিন্তু ইরানকে হুঁশিয়ারি দিতেও পিছপা হননি ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লেখা একটি চিঠিতে তিনি বলেছিলেন, কূটনৈতিক উপায় যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে সামরিক পথ খোলা থাকবে। অর্থাৎ ইরানে হামলাও চালাতে পারেন তিনি।
আরও পড়ুন
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে