
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে সুরেরধারার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিকসন্ধ্যা ‘নজরুল সুরাঞ্জলি’।
শনিবার (৪ অক্টোবর) সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে এই সাংস্কৃতিকসন্ধ্যা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল সম্পূর্ণভাবে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, গান ও কবিতাকে ঘিরে সাজানো এক শ্রদ্ধার্ঘ্য আয়োজন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় দুটি কোরাস গান ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’ এবং ‘তোমার বীণা তারের গীতি’ দিয়ে। এরপর পর শরদ ও তবলায় ধ্রুপদী যন্ত্রসংগীতের মনোমুগ্ধকর যুগলবন্দী পরিবেশন করেন তানিম হায়াত খান ও অভিজিৎ দান।
পরবর্তী অংশে সিডনির সুপরিচিত ও গুণী শিল্পী সারা সিদ্দিকী নায়না, আফরোজা শারমিন পাপড়ি, সাজিয়া হাসান প্রৈতি, লুবাবা ইসলাম ও তামীমা শাহরীন নজরুলের একক সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পাশাপাশি সিডনির বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী মামুন হাসান খান দুটি নজরুল গীতি পরিবেশন করে শ্রোতাদের হৃদয়ে ছুঁয়ে যান।
এ ছাড়াও, সিডনির অত্যন্ত গুণী ও সুপরিচিত নৃত্যশিল্পী অর্পিতা সোম চৌধুরী নজরুলের গানে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। নজরুলের কবিতা আবৃত্তি করে শোনান সিডনির অতি পরিচিত আবৃত্তিকার ও নাট্যকর্মী শাহিন শাহনেওয়াজ।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে নজরুলের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুন মহাবিপ্লব হেতু’ গানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানজুড়ে সঙ্গত করেন সিডনির প্রতিভাবান যন্ত্রশিল্পী তবলায় অভিজিৎ দান, হারমোনিয়ামে মামুন হাসান খান, গিটারে সোহেল খান, কিবোর্ডে রবিন ভৌমিক এবং মন্দিরায় লোকমান হাকিম।
পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সঞ্চালনা করেন ফারজানা আমবারীন জয়া। তার সাবলীল উপস্থাপনা পুরো অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলে। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন সুরের ধারার কর্ণধার মামুন হাসান খান।
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য উপস্থিত সবাই বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান আয়োজক মামুন হাসান খান ও ফারজানা আমবারীন জয়াকে। তাদের উদ্যোগ ও ভালোবাসায় গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হল হয়ে উঠেছিল বাংলা সংস্কৃতি আর নজরুলের সুরে সুরমণ্ডিত এক মিলনমেলা।
দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও আবেগে ভরা প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে, ‘নজরুল সুরাঞ্জলি’ শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়—এটি ছিল প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ও হৃদয়ের সংযোগের এক অসাধারণ উদযাপন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে সুরেরধারার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিকসন্ধ্যা ‘নজরুল সুরাঞ্জলি’।
শনিবার (৪ অক্টোবর) সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে এই সাংস্কৃতিকসন্ধ্যা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল সম্পূর্ণভাবে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, গান ও কবিতাকে ঘিরে সাজানো এক শ্রদ্ধার্ঘ্য আয়োজন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় দুটি কোরাস গান ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’ এবং ‘তোমার বীণা তারের গীতি’ দিয়ে। এরপর পর শরদ ও তবলায় ধ্রুপদী যন্ত্রসংগীতের মনোমুগ্ধকর যুগলবন্দী পরিবেশন করেন তানিম হায়াত খান ও অভিজিৎ দান।
পরবর্তী অংশে সিডনির সুপরিচিত ও গুণী শিল্পী সারা সিদ্দিকী নায়না, আফরোজা শারমিন পাপড়ি, সাজিয়া হাসান প্রৈতি, লুবাবা ইসলাম ও তামীমা শাহরীন নজরুলের একক সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পাশাপাশি সিডনির বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী মামুন হাসান খান দুটি নজরুল গীতি পরিবেশন করে শ্রোতাদের হৃদয়ে ছুঁয়ে যান।
এ ছাড়াও, সিডনির অত্যন্ত গুণী ও সুপরিচিত নৃত্যশিল্পী অর্পিতা সোম চৌধুরী নজরুলের গানে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। নজরুলের কবিতা আবৃত্তি করে শোনান সিডনির অতি পরিচিত আবৃত্তিকার ও নাট্যকর্মী শাহিন শাহনেওয়াজ।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে নজরুলের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুন মহাবিপ্লব হেতু’ গানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানজুড়ে সঙ্গত করেন সিডনির প্রতিভাবান যন্ত্রশিল্পী তবলায় অভিজিৎ দান, হারমোনিয়ামে মামুন হাসান খান, গিটারে সোহেল খান, কিবোর্ডে রবিন ভৌমিক এবং মন্দিরায় লোকমান হাকিম।
পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সঞ্চালনা করেন ফারজানা আমবারীন জয়া। তার সাবলীল উপস্থাপনা পুরো অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলে। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন সুরের ধারার কর্ণধার মামুন হাসান খান।
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য উপস্থিত সবাই বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান আয়োজক মামুন হাসান খান ও ফারজানা আমবারীন জয়াকে। তাদের উদ্যোগ ও ভালোবাসায় গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হল হয়ে উঠেছিল বাংলা সংস্কৃতি আর নজরুলের সুরে সুরমণ্ডিত এক মিলনমেলা।
দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও আবেগে ভরা প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে, ‘নজরুল সুরাঞ্জলি’ শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়—এটি ছিল প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ও হৃদয়ের সংযোগের এক অসাধারণ উদযাপন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।